৭ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভেঙে ফেলা হলো পটুয়াখালীর প্রবেশদ্বারে প্রদর্শিত যুদ্ধ বিমানটি গৌরনদীতে সরকারি হাসপাতালের ওষুধ পাচারের ছবি ও ভিডিও ধারন করায় সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ গলাচিপায় ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন কিনলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা সন্ত্রাসীদের কোনো ধর্ম নেই -এ্যাড. বলরাম পোদ্দার কলাপাড়া উপজেলাকে জেলায় রূপান্তরিত করার দাবিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন পটুয়াখালীতে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা, বৃদ্ধ গ্রেফতার জাতীয় লিগে অংশ নিচ্ছেন বরিশালের নারী ফুটবলাররা মঠবাড়িয়ায় মাহফিল থেকে ফেরার পথে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে জখম পটুয়াখালীতে মামলার স্বাক্ষীকে কুপিয়ে বাড়ীঘর ভাংচুর-লুট

অপরূপ সৌন্দর্যের অরণ্য দ্বীপ ‘কুকরি-মুকরি’

মামুন-অর-রশিদ: বাংলার বুক চিড়ে মনোরম প্রকৃতির লীলাভুমি অপরূপ সৌন্দর্যের অরণ্য দ্বীপ ভোলার চর‌ফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার ‘কুকরি-মুকরি’ । কয়েকটি গ্রাম মিলে এটি একটি ইউনিয়ন।  দৃষ্টি সীমানার পুরোটা ফোকাস জুড়ে শুধু সবুজ আর সবুজ। দৃষ্টিকে সম্মোহন করে হাতছানি দিতে থাকে টুকরো টুকরো নিবিড় বনভূমি। মেঘনার উত্তাল ঢেউ, বৈরী বাতাস আর জলোচ্ছ্বাসের গর্জন যখন কর্ণকুহর হয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছে উদ্বেল করে অরণ্য দ্বীপ  ভাবনার জগতকে, ঠিক তখনই এই সবুজ দ্বীপ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি দেয় নিবিড় ভালোলাগার এক চিরসবুজ প্রশান্তি। বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এই দ্বীপে ৷ শিয়ালের দল, হরিণের পাল, আর বন্য মহিষের বিশাল বাহিনীগুলো নিজ চোখে দেখা যায় অনায়াসেই।  নাম না জানা হাজার রকমের গাছের সাথে সারি সারি নারিকেল গাছ আর বিশাল বালুকাময় চরটি দেখে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। শীতকালে দেখা মিলে হাজার হাজার অতিথি পাখির ৷ তাছাড়া কৃত্তিমভাবে তৈরী করা হয়েছে ঝুলন্ত ব্রীজ ও মাকড়সার জাল। তবে শীত কালই ভ্রমণের মুখ্যম সময়। বিশেষ করে জানুয়ারী থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত।

এই চরের কাছাকাছি ঢাল চর, চর মানিক, সোনার চর, রুপার চর সহ বেশ কিছু চর আছে। কুকরি মুকরি থেকে রিসার্ভ ট্রলার কিংবা স্পিডবোর্ড নিয়ে ঘুরে যাওয়া যায় এসব চরে ৷ আরেকটু দুরে গেলে তাড়ুয়া দ্বীপ। সেখানে বঙ্গোপসাগড়ের পারে বিশাল সীবিচ।
চর কুকরি মুকরিতে থাকার জন্য রয়েছে বন বিভাগের একটি বিশাল রেস্ট হাউজ। চারিদিকে ফুলের বাগানে ঘেরা ও নিচেই রয়েছে একটি সুইমিংপুল। চমৎকার ও আধুনিক ডিজাইনে করা এই রেস্ট হাউজে রয়েছে জেনারেটর ও আইপিএস ব্যবস্থা। যদিও এটি এখন দেখভাল করা হয় ইউপি চেয়ারম্যানের তত্বাবধানে। তাছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় দু’একটি আবাসিক হোটেল বা রিসোর্ট আছে। থাকার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে ওঠা যায়। তবে সবচেয়ে সহজ আর মজাদার থাকার ব্যবস্থা হলো চরে ক্যাম্প করে থাকা। এতে খরচ যেমন বাঁচবে, সাথে  প্রাকৃতিক এক অন্যরকম ভিন্ন পরিবেশের স্বাদ পাওয়া যায়। এই চরের যেখানে খুশি ক্যাম্প করা যাবে, সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্যাম্প করার জন্য এখানে আছে, বিশাল জায়গা।  তবে বনের ভিতরে ক্যাম্প করা থেকে বিরত থাকতে হবে। চমৎকার এই জায়গাটিতে এখনো বিদ্যুৎ পৌছেনি। তবে প্রক্রিয়াধীন আছে। ফলে মোবাইল চার্জ নিয়ে কিছু বিরম্বনা হতে পারে। তাই যাওয়ার সময় ফুল চার্জ ও পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে যাওয়াই ভালো।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email