৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

অবশেষে হচ্ছে উপকূলবাসীর স্বপ্নের ‘গলাচিপা সেতু’

সঞ্জিব দাস,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) মঙ্গলবার অনুমোদন হয়েছে বহুল কাক্সিক্ষত গলাচিপা ব্রিজ। প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে রামনাবাদ নদীর ওপর গলাচিপা সেতু। সড়ক ও জনপদ (সওজ) অধিদফতর কাজটি বাস্তবায়ন করবে। প্রাথমিকভাবে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫২১.২৫৯৯ কোটি টাকা। পরিকল্পনা কমিশনের সড়ক উইং-এর উপপ্রধান (উপসচিব) আ ন ম ফয়জুল হক ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এস এম শাহজাদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানায়, পটুয়াখালীর রামনাবাদ নদীর ওপর সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বরিশাল বিভাগীয় সদর ও পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে গলাচিপা উপজেলার নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যে ত্বরান্বিত করা। এ ছাড়া জেলা সদরের সঙ্গে গলাচিপা উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। এতদিন সড়কটিতে ফেরি থাকায় জনদুর্ভোগসহ অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হতো।সূত্রটি আরও জানায়, এটি পিসি গার্ডার সেতু যার দৈর্ঘ্য ৮৮২.৮১ মিটার। এতে ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে ৭.৫৩ হেক্টর, নদী শাসন ১৬০০ মিটার এবং নদী পেভমেন্ট নির্মাণ করা হবে ১.৪০ কিলোমিটার। এ ছাড়াও ব্রিজটিতে একটি টোল প্লাজাও নির্মাণ করা হবে। পিইসি সভার সুপারিশ অনুযায়ী মোট ৫২১.২৫ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক প্রস্তাবিত লেবুখালী-বাউফল-গলাচিপা-আমড়াগাছিয়া জেলা মহাসড়কের (জেড-৮৮০৬) ৭০তম কিলোমিটারে রামনাবাদ নদীর ওপর গলাচিপা সেতু নির্মাণ ৫২১.২৫৯৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ সালে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। এমপি এসএম শাহজাদা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। উন্নয়নের মহাস্রোতের অংশ হিসেবে গলাচিপার এ ব্রিজ। আমরা সবাই জানি, ১৯৭০ সালে বন্যার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের এ এলাকায় ত্রাণ নিয়ে এসেছিলেন। তখন থেকেই তিনি এ এলাকার দুর্ভোগ লাঘবের চিন্তা করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ