২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

অবসর নিয়েও একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বহাল তবিয়তে

হারুন অর রশিদ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
আমতলীর পুর্ব চিলা রহমানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এন আর হুমায়ুন কবির শিক্ষা মন্ত্রনায়লেয়র নীতিমালা ২০১৮ উপেক্ষা করে তিনি নিয়ম বর্হিভুতভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। অভিযোগ স্কুল শিক্ষক কর্মচারীদের।
জানাগেছে, উপজেলার পুর্ব চিলা রহমানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এন আর হুমায়ুন কবির ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারী অবসরে যান। তিনি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এক বছর ৫ মাস জোরপূর্বক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। দ্রুত তাকে অপসারণ করে জৈষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে একজনকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়ার দাবী জানিয়েছেন তারা। এদিকে গত এক বছর ৫ মাস অবৈধভাবে বেতন ভাতায় সিটে তিনি স্বাক্ষর দিচ্ছেন।
২০১৮ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার ১১.৬ ধারায় উল্লেখ আছে চাকুরীরত অবস্থায় ৬০ বছর পূর্ণ হবার পর কোন প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান ও শিক্ষক কর্মচারীকে কোনো অবস্থাতেই পুনঃ নিয়োগ কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এন আর হুমায়ুন কবির ওই নীতিমালা উপেক্ষা করে গায়ের জোড়ে বহাল তবিয়তে আছেন। আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক এন আর হুমায়ূন কবির বিভিন্ন খাত দেখিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করছেন।
এন আর হুমায়ুন কবির ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারী অবসরে যাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি কাউকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেইনি। তাই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি। তিনি আরো বলেন, যতদিন পর্যন্ত দায়িত্ব কাউকে বুঝিয়ে না দেব ততদিন পর্যন্ত আমিই ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিয়া উদ্দিন মিলন বলেন, ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসারে অবসরে যাওয়ার পর কোন শিক্ষক কর্মচারী দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ