২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

অসংখ্য মানুষের চোখের জলে বিদায় নিলেন ডায়নামিক জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

শানীমা সুলতানা।

একজন জেলা প্রশাসক জেলায় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। অত্র জেলার সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এবং সাধারণ মানুষের অভিভাবকের দ্বায়িত্ব পালন করেন। জনাব জসীম উদ্দীন হায়দার ছিলেন বরিশালের মানুষের দক্ষ অভিভাবক ছিলেন আস্থাভাজন । বৈশ্বিক অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় তিনি বরিশাল জেলা প্রশাসকের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন। দ্বায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অফিস শেষ করে সহকর্মীদের নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত সমস্ত বরিশাল শহর ঘুরে দেখেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জেলা প্রশাসক তার কার্যালয় ব্যতিক্রমী এক কর্মপরিকল্পনা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে নিজের আসনের পাশে একটি আসন বরাদ্দ রাখেন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। মুক্তিযোদ্ধারা তার কার্যালয় আসলে নির্ধারিত আসনে বসবেন। তার এই নানা ব্যতিক্রমী কর্মপরিকল্পনা বরিশালের মানুষের হৃদয় গেঁথে যায় অপার শ্রদ্ধায় নমীত হয় সকলে।

অল্প সময়ের মধ্যে অসংখ্য উন্নয়ন মূলক কাজ করেন তিনি। তার কর্মতৎপরতা, উন্নয়ন ভাবনা, মানবিকতা যেমন প্রসস্থ তেমনি আপাদমস্তক তিনি সাহিত্য সংস্কৃতি প্রাণ মানুষ। বরিশাল জেলাপ্রশাসকের দ্বায়িত্ব গ্রহণের পরে স্থানীয় শিল্পী সাংস্কৃতি কর্মীদের নিয়ে ঈদ উজ্জ্বাপন করেন নিজ বাসভবনে। সার্কিট হাউজে সহকর্মীদের পরিবার পরিজন নিয়ে চাঁদ রাতে আয়োজন করেন মেহেদী সন্ধ্যার যে আয়োজন সত্যিই বিরল ! তার কাজে, ব্যাবহারে, আন্তরিকতায় আমলাতান্ত্রিক মনোভাব ছাড়িয়ে মানবিকমনের প্রকাশ এমন ভাবে ঘটেছে স্বমহিমায় তিনি সকলের প্রিয়জন আপন জন হয়ে উঠেছিলেন।
বরিশালের উন্নয়নে তার যে অগ্রণী ভুমিকা তার সততা,মানবিকতা, সহযোগী মনোভাবে তিনি বরিশাবাসির হৃদয়ে অমোচনীয় স্মৃতি হয়ে থাকবেন।
বরিশালের ইতিহাসে তিনি থাকবেন একজন ডায়নামিক জেলাপ্রশাসক উপাধিতে আসীন।

সর্বশেষ