৭ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত গলাচিপায় এ্যাম্বুলেন্স সেবায় চলছে রমরমা ব্যবসা। ৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর চরকাউয়া থেকে বাস চলাচল শুরু পটুয়াখালী জেলা পরিষদের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ও ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে চেক প্রদান আমতলী পৌরসভায় ৪৬২১ জন হতদরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার স্ত্রী-বোনের টাকায় ট্রাক্টর কিনলেন পলাশ গলাচিপায় ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন শিল্প হোগল পাতা বিলুপ্তির পথে ব্যবসায়ী নাজমুল সাদাতের পিতার জানাজা সম্পন্ন ব্যবসায়ী নাজমুল সাদাতের পিতার জানাজা সম্পন্ন মাহাফুজুর রহমানের "স্বপ্নে দেখা সেই মেয়েটি" লাজুক

বরিশালে একই দিনে নারীসহ দুইজনের আত্মহত্যা

উজিরপুর প্রতিনিধি :: উজিরপুরে একই দিনে এক নারীসহ দুই জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মৃত দুলাল গোলদারের ছেলে সুজন গোলদার (২৬) রহস্যজনক ও পূর্ব জয়শ্রী গ্রামের মজনু হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৫০) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সুজন গোলদার ও তার মা মার্থা গোলদার একই ঘরে বসবাস করতেন এবং অত্যন্ত হতদরিদ্র। সুজন গোলদার মাদকাশক্ত ও ভবঘুরে ২৮ অক্টোবর ভোর রাত সাড়ে ৪টায় তার মা ডাক চিৎকার দিয়ে তার ছেলের মৃত্যুর ঘটনা এলাকাবাসীকে অবহিত করে। সে আরো জানায়, ওইদিন সন্ধ্যায় তার ছেলে ঘরের পাশে একটি পুকুরে পড়ে যায়। উদ্ধার করে ঘরের মধ্যে শুইয়ে রাখলে তার মুখে বিষের গন্ধ পান। চিকিৎসার জন্য স্থানীয়দের বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। ১৫ বছর পূর্বে এভাবেই তার বড়ছেলের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়।

এদিকে পূর্ব জয়শ্রী গ্রামের ৩ সন্তানের জননী খাদিজা বেগম ভোর ৫টায় রান্না ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার স্বামী দেখতে পায়।

তার স্বামী মজনু হাওলাদার জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন পর্যন্ত মানসিক রোগী ছিলেন। ভোর রাতে একই সাথে দুজনে নামাজ পড়েছেন। নামাজ শেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়লে কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রীকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি করে আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে ডাক চিৎকার শুরু করেন।

নিহত খাদিজা বেগমের ভাই শাখাওয়াত হোসেন জানান, তার বোন মানসিক রোগী ছিলেন। এর পূর্বেও একাধিকবার একই ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিলেন। মৃত্যু নিয়ে কোন পক্ষেরই অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।

উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ জানান, সুজন গোলদারের লাশ ময়না তদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং খাদিজা বেগমের ভাই, স্বামী ও ছেলে মেয়েদের কোন অভিযোগ না থাকায় ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের অনুরোধে লাশ দাফনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ