২রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

উজিরপুরে ব্যাংক ঋণের জামিনদার হয়ে বিপাকে শিক্ষক দম্পত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
উজিরপুরে ব্যাংক ঋণের জামিনদার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে শিক্ষক পরিবার। সূত্রে জানাযায়, ২০১৭ সনের এপ্রিল মাসে ‘সোনালী ব্যাংক’ গুঠিয়া শাখা হতে ৫লক্ষ টাকা এসএমই ঋণ গ্রহণ করেন গুঠিয়া ইউনিয়নের পাথুনিয়াকাঠী গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম বেপারীর পুত্র ও গুঠিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক মো: জহিরুল আমল ভুট্টো। ঋণ গ্রহীতা (ভুট্টো)‘র ঋণ পাওয়ার জন্য ২জন চাকুরীজিবী জামিনদার প্রয়োজন হলে প্রতিবেশী বৈরকাঠী গ্রামের মৃত আয়েন আলী খানের পুত্র দক্ষিণ বৈরকাঠী তাতীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী শিক্ষিকা মর্জিনা বেগম ঋণের জামিনদার হয়।
ঋণ গ্রহণের কিছু দিন পরেই ভুট্টো নিয়মিত ব্যাংক ঋণ পরিশোধ না করে তালবাহানা শুরু করে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জামিনদারদের নিয়মত ঋণ পরিশোধের অনুরোধ জানায়। জামিনদারদয় ঋণ গ্রহীতা ভুট্টোকে বারবার ঋণ পরিশোধের জন্য অনুরোধ জানালেও তিনি ঋণ পরিশোধ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এমনকি এব্যাপারে জানাজানি করলে বিভিন্ন প্রকার মামলা হামলার ভয় ভিতি প্রদর্শন করে।
এব্যাপারে ঋণের জামিনদার মো: আবুল হোসেন বলেন, ‘ঋণ গ্রহীতা জহিরুল আলম ভুট্টো আমার পূর্ব পরিচিত। সে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করবে এতে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে জামিনদার হওয়ার অনুরোধ জানালে সরল বিশ্বাসে আমরা জামিনদার হই। ভুট্টো আমাদের সাথে এভাবে প্রতারণা করবে তা বুঝিনাই। ব্যাংক নিয়মিত ঋণের টাকা না পেয়ে আমার বেতন আটকে দিয়েছে। বেতনের টাকা না তুলতে পেরে আমি সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। অপরদিকে ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য আমাদেরকে চুড়ান্ত নোটিশ প্রদান করছে। এই মর্মে গত ৫-১১-২০২০ ভুট্টোর বাড়ীতে গিয়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার পাশাপাশি আমাদের এ্যাকাউন্ট হতে কর্তনকৃত টাকা পরিশোধের কথা বলি। এসময় ভুট্টো সাব জানিয়ে দেয় ভবিষ্যতে টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো সহ খুন জখমের হুমকি দেয়।
এঘটনাটি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ সকলেরই জানা আছে।’
এমর্মে ১০-১১-২০২০ তারিখ উজিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে যার নং ৪৬৩। এবং ১২-১১-২০২০ তারিখ তারিখ উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানান স্কুল শিক্ষক মো: আবুল হোসেন খান।
এব্যাপারে ঋণ গ্রহীতা জহিরুল আলম ভুট্টো বলেন, ‘আমি নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করে আসছিলাম। প্রাকৃতিক দূর্যোগ পরবর্তীতে করোনা কালীন দূর্যোগে আমার ফার্ম লোকসানে পড়লে কিস্তি পরিশোধে অনিয়মিত হয়েছি। ঋণের জামিনদারদের সাথে সব সময় আমার যোগাযোগ ও সুসম্পর্ক রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ