২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

এবার তালতলীর আরেক ইউপি চেয়ারম্যানের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ::: বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. কামরুজ্জামান বাচ্চুর সঙ্গে এক তরুণীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই তরুণীর (২০) বিরুদ্ধে কয়েক দিন আগে তালতলী থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বাচ্চু। সেই মামলায় ওই তরুণী বর্তমানে জেলহাজতে আছেন।

তরুণীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চুর ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু মিয়া এক তরুণীর বিরুদ্ধে মোবাইলে আপত্তিকর ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে গত ১২ এপ্রিল তালতলী থানায় পর্নোগ্রাফী আইনে মামলা দায়ের করেন।

এতে ওই তরুণী এবং তার সহযোগী জাহিদুল ইসলাম সবুজ ফকিরকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় বরগুনা ডিবি পুলিশ ওই তরুণী ও তার সহযোগীকে গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করে।

এখন মামলার বাদী ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে মামলার প্রধান আসামী ওই তরুণীর একাধিক আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিও ধারনা করা হয় একটি লঞ্চের কেবিনে।

এর আগে মামলার আসামি ওই তরুণীর সঙ্গে মামলার প্রধান সাক্ষী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার ও দ্বিতীয় সাক্ষী উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠুর ভিডিও ভাইরাল হয়।

এমন ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তার শাস্তি দাবি করেছেন।

নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, চেয়ারম্যানের এমন ঘৃনিত কর্মকান্ড দেখার মত নয়। গ্রামগঞ্জের সকল মানুষের মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পরেছে ওই ভিডিও। এ ঘটনার সঠিক বিচার হওয়া প্রয়োজন।

মামলার বাদী নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ড. কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ‘একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে সুপার এডিটের মাধ্যমে এমন ভিডিও করে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করতে এমন কাজ করছেন।’

তালতলী থানার ওসি কাজী শহিদুল ইসলাম খাঁন বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ