৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
দেশের বেষ্ট হসপিটালেটি এন্ড ট্যুরিজম লিডার হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ভোলার কৃতি সন্তান সাখাওয়াত ভোলায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো যুবকের বরিশালে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আ.লীগের শান্তি সমাবেশ মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিএনপি আন্দোলন করছে : মঈন খান বরিশালে কোষ্টগার্ডের অভিযানে দুইদিনে ৭০ মন জাটকা জব্দ দূষণমুক্ত শিল্পকারখানা স্থাপন হবে আমাদের আগামী শিল্পবিপ্লব : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী পাথরঘাটায় দুই ট্রলারের ধাক্কায় বাবার সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ছেলে আগৈলঝাড়ায় স্কুলড্রেস কেনার জমানো টাকা ভেঙে ফেলায় কিশোরীর আত্মহত্যা এ সরকারের সময়ে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল : তোফায়েল এবার ববির খাবারে পাওয়া গেল সিগারেটের ফিল্টার!

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৫ লাখ লোক সমাগমের আশা

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামী বুধবার (৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজার যাচ্ছেন। সকালে কক্সবাজার সৈকত ঘেঁষা মেরিন ড্রাইভের ইনানী-পাটোয়ারটেক সৈকত এলাকায় অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক নৌ-শক্তি প্রদর্শন মহড়ার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৪৩টি যুদ্ধ জাহাজ অংশ নিবেন। ওইদিন বেলা ৩টায় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা।

জনসভায় ভাষণ দেওয়ার পূর্বে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে কক্সবাজারের ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে। উক্ত জনসভায় ৫ লাখ লোকের সমাগমে জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে প্রস্তুতি নিয়েছে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী ইতোপূর্বে ২০১৭ সালের ৬ মে একই স্থানে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

কক্সবাজারে ইতোমধ্যে তিনটি বড় মেগাপ্রকল্প সহ ছোট-বড় ৭৭ টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। যেখানে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা। তারমধ্যে মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প, দোহাজারী রামু হয়ে কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ অন্যতম।

দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর আগমনে স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা খুবই উজ্জীবিত। সরকার প্রধানের আগমনে সড়ক থেকে শুরু করে সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবদিকে এখন সাজ সাজ রব। তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে শহরের গলি-উপগলিও। নেতাকর্মীদের প্রচার-প্রচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে কক্সবাজারে। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কি বার্তা দেবেন তা শুনতে উন্মুখ হয়ে আছেন তারা। দলীয় প্রধান ও সরকার প্রধান কক্সবাজারে আসবেন এজন্য শহরের পাশাপাশি ৮ উপজেলার নেতাকর্মীদের শুভাগমনের বার্তায় ছেয়ে গেছে সকল সড়কের দু’পাশ।

ইতোমধ্যে প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় উদ্যোগে কক্সবাজার শহরের সমুদ্র সৈকত লাগোয়া শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জনসভার সব প্রস্তুতি সম্পন্নের শেষ পর্যায়ে। পৌরসভার পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জরুরি চিকিৎসাসেবা, জেলা আওয়ামী লীগ ও পৌরসভার পক্ষ থেকে খাবার পানি সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি জনসভার শৃঙ্খলা বজায় রক্ষার্থে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মো. মুজিবুল ইসলাম জানান, জনসভারস্থল শেখ কামাল স্টেডিয়ামে নৌকা আকৃতির তিন হাজার ৫’শ বর্গফুটের দৃষ্টিনন্দন মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। অতিথিদের এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য আরো ২টি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় নেতা, জেলা নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে অবস্থান নেবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসা মানেই জেলাবাসীর জন্য সুখবর। এবার প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং সমাপ্ত হওয়া কয়েকটি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করবেন। ওইদিন ৫ লাখ মানুষের সমাগম হবে। এটি হবে জেলার সর্ব বৃহৎ জনসভা।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম চৌধুরী বলেন, বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করবেন। সরকার জনগণের জন্য কি করছে, দেশের উন্নয়নের অগ্রগতি কি, সবকিছু জনগণের সামনে নেত্রী তুলে ধরবেন। আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের গণমানুষের দল, গণতান্ত্রিক দল। শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জনসভা থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে বক্তব্য দিতে পারেন।

তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে কক্সবাজারে। যেখানে দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্পের ৩টি হচ্ছে এখানে। এগুলোর কাজ সম্পূর্ণ হলে বিশ্ব দেখবে কক্সবাজারকে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রশাসনিকভাবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ