বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্রী উত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর বাকেরগঞ্জের দুধলে করোনা রোগী শনাক্ত ! এলাকায় আতঙ্ক পিরোজপুরে ব্যাংক কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত ॥ ব্যাংক লকডাউন দৌলতখানে ইউপি সদস্য’র নেতৃত্বে এক জনকে কুপিয়ে জখম সাংবাদিক মিজানের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ বরিশালে নতুন করে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত ‘প্রথম আলো’র সাংবাদিকের নামে হত্যামামলা, বরিশাল অনলাইন সংবাদিক ইউনিয়ন’র নিন্দা বাউফলে মেয়র ও এক সংবাদিকসহ ছাত্রলীগের ৩৫ নেতাকর্মীকে আসামী করে হত্যামামলা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহযোগিতার টাকা আত্মসাৎ, ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আটক প্রধানমন্ত্রীর সহায়তার টাকা এসেছে কিনা জানাতে ডেকে বিধবাকে ধর্ষণের চেষ্টা
করোনা এসে স্রেফ নাঙ্গা করে দিছে ! নিজের প্রতি ঘেন্না লাগে

করোনা এসে স্রেফ নাঙ্গা করে দিছে ! নিজের প্রতি ঘেন্না লাগে

Print Friendly, PDF & Email

কাজী মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানঃ

চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী গ্রুপ পরিবারের সকল সদস্য কোভিড-১৯ এফেক্টেড। যাদের আছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি। চাইলে তারা ডজনখানেক কোকিলাবেন ধীরুভাই হসপিটাল কিংবা বামুনাগ্রাদ হসপিটাল বানানো কোন ব্যাপার ছিলো না। অথচ আজকে তাদের নিজেদের মধ্যে আইসিইউ বেড শাফলিং করতে হলো।

লোকমুখে প্রচলিত এক ভাই ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে এডমিট হলে ভেন্টিলেটর দেওয়ার প্রয়োজন হলেও কোন ভেন্টিলেটর খালি ছিল না ঐ মুহুর্তে । সবগুলোই বুকড রোগি দিয়ে। কিছুটা ইমপ্রুভের দিকে যাওয়া আগে থেকে এডমিট আরেক ভাইকে নামিয়ে দিয়ে তাকে দেওয়া হয়। যদিও বাঁচেননি শেষ পর্যন্ত।
বেঁচে থাকতে উনাদের মত ম্যাগনেটরা এদিকে নজর দেননি। কিছু হলেই উড়াল দিতেন। কী নির্মম পরিহাস টাকার বস্তা কাজে আসলো না আজ। কতো অপ্রতুলতা, কতো সীমাহীন দুর্নীতিতে চলতো এই হেলথ সেক্টর। সিম্পলি টারশিয়ারি হসপিটালে শীতকালে ৭/৮ টা রোগির রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেস শুরু হলে সবাইকে একসাথে অক্সিজেন কিংবা নেবুলাইজ করা যেতো না।

কারন আছেই দুইটা নেবুলাইজার মাত্র, তাও ফার্মা কোম্পানির গিফট। শাফলিং করে দেওয়া হতো, ৫ মিনিট দিয়ে খুলে ফেলে আরেকজনকে। অসহায় রুট লেভেলের রোগিটার দিকে তাকানো যেত না। লিখতে গেলে অনেক কিছুই লেখা যায়। আজ পর্যন্ত কেউ আওয়াজ তোলে নাই যে সরকারি হসপিটালে দুপুর ১টার পর কেন ইনভেস্টিগেশন হয় না?

রাতে সিম্পল ডায়রিয়া জনিত রোগীর ইউরিন আউটপুট নিল নিয়ে আসা রোগির তৎক্ষনাৎ ক্রিয়েটিনিন হবে না কেন? কোন যুক্তিতে ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে? ডাক্তারকে দুটো গালি দিলে বরং সুখ পাওয়া যায়। প্রাইভেট হেলথ সেক্টর মানেই ফটকাবাজি এদেশে। হার্ট ফাউন্ডেশন কিংবা পাহাড়তলী আই এর মতো কোয়ালিটি সার্ভিস দেওয়া ইন্সটিটিউট হাতে গোনা কয়েকটা।

বেশিরভাগ সার্ভিসের তুলনায় বিলিং করে মাত্রাতিরিক্ত। লাখ টাকা বিলিং করে স্টাফদের স্যালারী দেয় না ঠিকমতো। পাশ করে বের হবার পর দালাল দিয়ে রোগী ভাগানো দেখে নিজেরে নিজের প্রতি ঘেন্না লাগে। আনফিট মনে হয় প্রতিনিয়ত এই প্রফেশনে। করোনা এসে স্রেফ নাঙ্গা করে দিছে। এরপরো আশা নিরাশার স্বপ্ন দেখি করোনা পরবর্তী হেলথ সেক্টরকে ভেঙ্গেচুরে নতুন করে গড়া হবে৷ যেখানে সবার একাউন্টেবিলিটি থাকবে।

 150 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2014 barisalbani