২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কলাপাড়া উপজেলায় হাজারও পরিবার ক্ষুধার যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে

ইমন আল আহসান.কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাকে নভেল করোনা ভাইরাস এর কারনে লকডাউন ঘোষনা করা হয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দিন কাটছে চরম দূভোর্গে। নিম্ন আয়ের মানুষের কর্ম বন্ধ ও ঘড় বন্ধি হওয়ায় মানুষের কপালে নেমে আসছে দূর্ভোগের ঘনঘটা।দূর্ভোগ শেষ হবে কবে এ নিয়েও সাধারণ মানুষের কপালে দেখাযাচ্ছে দুশ্চিন্তার ছাব। কলাপাড়া উপজেলার সল্প আয়ের মানুষগুলো ক্ষুধার যন্ত্রনায় দিন পার করছেন প্রতিনিয়ত।নিম্ন মধ্যবিত্ত ও সল্প আয়ের মানুষর এখন এমনটাই দাবি করেছেন, কেউ খাবে তো কেউ পাবেনা তা হবে না তা হবে না। খেয়াল রাখলে ভালোভাবে রাখতে হবে অসহয় শ্রেনরি মানুষের । স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিকট তম আত্তীয় কিংবা চেনা পরিচিত লোকের উপর খেয়াল রাখে নিরলস ভাবে,কিন্তু আমরা যে অসহয় শ্রেনীর মানুষ আছি আমাদের দেখার যেন কেউ নেই ,এমন টাও অভিযোগ সাধারন মানুষের। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দিনমজুর বাসু মিস্ত্রি জানান,এখন যে অবস্থা ঘড়ে চাল নাই যে দু’মুঠো ভাত খেয়ে দিন পার করবো ।করোনায় লকডাউন ঘোষনার পরথেকে কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা আমি পাইনি, কি ভাবে যে আমার দিন কাটে তা একমাত্র আমি এবং ভগবান যানেন।বর্তমান দেশের সংকটময় পরিস্থিতি বিবেচনায় সমাজের বিত্তবানরা সহযোগীতার হাতটা একটু ভালো ভাবে বাড়িয়ে সল্প আয়ের মানুষের মাঝে দারাতেন ,তা হলে এমন করুন অবস্থায় থাকা লাগদোনা এই মানুষ গুলোর ।সাম্প্রতিক কালে বিত্তশালীরা যে সকল মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন তার চেয়ে সেলফির ভাগিদার হয়ে দারিয়েছেন অনেক গুণে। কলাপাড়া উপজেলার রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী কিংবা সমাজ সেবক’রা পাঁজনকে সহযোগীতা করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে দানবীর পরিচয় দেয়ার জন্য লেখেন ৫০ জন, মিধ্যে ছলে বলে জ্বলছে কলাপাড়া উপজেলা রাজনৈতিক ও সমাজসেবক দানবীরদের বাতি।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ