১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

কুয়াকাটায় মেয়েরর ভাইয়ের নেতৃত্বে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলাঃ আহত ১০

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

মির্জা আহসান হাবিব ঃ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারনায় যাবার পথে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ভাইর ছেলেসহ অন্তত ১০জনকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়রের ভাই আনসার উদ্দিন মোল্লার বাহিনীর বিরুদ্ধে। আজ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের হোসেন পাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আহত বিদ্রহী প্রার্থীর ভাইর ছেলে সোহাগ রহমান (২৪), তার নিকটাত্মীয় আনোয়ার হোসেন (৪৪) ও আউয়ুব আলী (৪০)কে কুয়াকাটার তুলাতালী ২০শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকী আহত ৭জনের নাম এখনও জানা যায়নি। ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের ছেলে মোঃ মামুন হাওলাদারের অভিযোগ, বিকালে ২নং ওয়ার্ডের গাজীবাড়ী এলাকায় তার বাবার পপূর্ব নির্ধারিত জগ প্রতীকের উঠান বৈঠকে তাদের সমর্থকরা আসতে থাকে। পথিমধ্যে ৯নং ওয়ার্ডের হোসেনপাড়া এলাকায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী বর্তমান মেয়র বারেকে মাল্লার ভাই আনসার উদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বে ২০/২৫জনের বহিরাগতরা তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে তাদের সাথে থাকা ধারাল অস্ত্র দিয়ে উপযৃপৃরি কুপিয়ে জগ প্রতীকের ১০জনকে আহত করা হয়। মামুন আরো জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার পাশের লতাচাপলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়া সত্বেও আনসার উদ্দিন মোল্লা গত কয়েকদিন ধরে বহিরাগতদের দিয়ে পৌরএলাকায় প্রভাব বিস্তর করে আসছে। রাতে অস্ত্রের মোহড়া দিচ্ছে। বিষয়টি লিথিত ভাবে প্রশাসনকে বার বার জানানো সত্বেও বহিরাগতদের ব্যপারে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। এদিকে হামলার ঘটনায় বাকী ৭জন বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু উঠান বৈঠকে থাকায় তাৎক্ষনিক তাদের নাম বলতে পারছেনা বলে জানান মামুন হাওলাদার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লতাচাপলি ইউপি চেয়ারম্যান আনসার উদ্দিন মোল্লা (মেয়রের ভাই ) জানান, নাটক সাজিয়েছে জগ প্রতিকের প্রার্থী। ঘটনার সময় সেখানে আপনি উপস্থিত ছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, “হ ছিলাম আমার ভাই নির্বাচন করে আমি সেখানে থাকবোনা?” আমি মিটিংয়ে আছি আপনার কথা শোনা যায় না বলে পরে ফোন কেটে দেন তিনি। মহিপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার পথে দুই প্রার্থীর পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা শোনার পর তাৎক্ষনিক আমি এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ পুলিশসদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। পরিবেশ শান্ত রয়েছে। তবে কোন প্রার্থীর পক্ষ থেকে আহত হবার অভিযোগ করা হয়নি।

সর্বশেষ