১৯শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

কুয়াকাটায় ৭শ ফুট ড্রেনেজে ১২ বছরের ভোগান্তি থেকে রক্ষা

হোসাইন আমির কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ- দীর্ঘ ১ যুগ ধরে কুয়াকাটার মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে হোটেল মোটেল আবাসিক এলাকায় বৃষ্টি এলেই জলাবদ্ধতায় সৃষ্টি হতো। পানিবন্দি হয়ে থাকতো দিনের পরদিন। ভোগান্তির শেষ হতো না কুয়াকাটা পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ৩নং ওয়ার্ড বাসীর । মাত্র ৭শ ফুট ড্রেনেজের জন্যই প্রতি বর্ষার ৩ মাসের ভোগান্তিতে থাকতো এখানে আসা আগত পর্যটকরা ও ভুক্তভুগীরা । টানা ৭দিনের বৃষ্টিতে মেয়র আনোয়ার হাওলাদার ও কাউন্সিলর মনির শরিফের দ্রুত হস্তক্ষেপে সেই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেলো এলাকাবাসী । যার জন্য খুশি ওই এলাকার বিনিয়োগকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা যায়, কুয়াকাটা ১৯৯৮ সালে পর্যটন ঘোষনা হওয়ার পর বৃহত্তর লতাচাপলী ইউনিয়নের মধ্যে পরে এই এরিয়া। জিরো পয়েন্ট থেকে মহসড়কের পশ্চিম ও উত্তর দিকে দ্রুত বহুতল ভবন নিয়ে গড়ে উঠে প্রায় অর্ধশত আবাসিক হোটেল মোটেল। সেই থেকেই ড্রেনেজের জন্য ভোগান্তিতে পরতে হয় । ২০১০ সালে কুয়াকাটাকে পৌরসভা ঘোষনা দিয়ে প্রসাশনিক নিযোগ দিয়ে দপ্তরিক কাজ চলে ১৫ সাল পর্যন্ত । পরে পৌরসভায় প্রথম নির্বাচনে মেয়র আঃ বারেক মোল্লা নির্বাচিত হয়ে উন্নায়নের ছোয়া লাগতে শুরু হয় কুয়াকাটার রাস্তা ঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েক শ কোটি টাকার কাজ চলছে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে। তার ভিতরে ড্রেনেজের কাজ অন্যতম। পটুয়াখালীর জনস্বাস্থ্য বিভাগ ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রনেজে কাজ ২০১৯ সালে শুরু করে খোলা মাঠে। কোন অদৃশ্য কারণে গুরুত্বপূর্ন এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া ্ওই ওয়ার্ডটিতে ড্রনেজ হয়নি তা কেউ যানে না। বর্তমান মেয়র শপথের ৪ মাসে মধ্যেই মাত্র ৭শ ফুট ড্রনেজেরএই অসম্পূর্ণ কাজ করে করে তাক লাগিয়ে দেন। যা এখন সবার মুখে মুখে
৩নং ওয়ার্ড বাসীন্দা আঃ জলিল (৫৫) বলেন প্রতি বছর এই সময় ঘর বন্দী থাকতাম মসজিদে নামাজ পড়তে যাইতে পারতাম না আল্লাহ রহমত করছেন এবার।
ভোক্তভুগী আলমগীর খান (৩০) বলেন বর্ষার সময় এলেই টানা বৃষ্টি এলে বাসার সামনে রাস্তা তলিয়ে থাকতো বের হতে পারতাম না তারপর বাসার সামনে যে মাঠ ছেলেরা খেলতো সেখানে হাটু সমান পানি থাকতো ৬ মাস ধরে আর এখনও সে খানে বাচ্চা পোলাপান খেলতে পারবে শুধু ড্রনেজের কারণে।
কাউন্সিলর মনির শরিফ বলেন, আমার শুধু মনের ইচ্ছা ছিলো জনগন যদি ভোট দেয় আর আল্লাহ যদি আমাকে কাউন্সিলর বানায় প্রথমেই কাজ আমার এইটা এবং সেটাই করেছি।
এ ব্যাপারে মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন-এই পৌরসভায় আমার এই ৫টি বছরে জনগনের কোন কষ্ট হউক তা আমি চাই না কারণ কষ্ট কি তা আমি নিজে বুজেই এখানে আসছি এবং আল্লাহ আমাকে এ দ্বায়ীত্ব দিয়েছেন। পর্যটন নগরী এই পৌরসভায় কোন জলাবদ্ধতা হবে না ও আরও সৌন্দয্য বাড়বে ইনসাআল্লাহ।
Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ