১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নলছিটিতে কৃষককে মারধরের অভিযোগ বরিশাল বাণী’র উপ-সম্পাদক হলেন জুবাইয়া বিন্তে কবির প্রশাসনের নীরব ভূমিকা সড়কের ওপর বাজার, দীর্ঘ যানজটে মানুষের ভোগান্তি ভোলায় মহাসড়কে আওয়ামী লীগ নেতার গরুর হাট লালমোহনে মোবাইলে ডেকে বাড়িতে নিয়ে কিশোরীকে গণধ*র্ষ*ণ করল প্রেমিক ও তার বন্ধু ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে-- সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা লায়ন মো: গনি মিয়া বাবুল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের জাগ্রতপ্রাণ আগামীকাল বরিশালে আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ভোলায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন: ২ লঞ্চ ও ইজারাদারকে জরিমানা

কোটি টাকা আত্মসাতঃ বরিশালে ছয়জনের নামে মামলা ! তদন্তে পিবিআই

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

বাণী ডেস্ক: অনলাইন ভিত্তিক এমটিএফই’র এর প্রতারণার শিকার হয়েছে হাজার হাজার গ্রাহক। গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছে এমটিএফই । সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল অতিরিক্ত চীফ মেট্রােপলিটন মেজিস্ট্রেট আমলী আদালতে প্রতারণার শিকার নি:স্ব পশ্চিম কাউনিয়ার মো: জালাল খানের কন্যা মোসা: খাদিজা আক্তার বাদী হয়ে অর্থ লুটে নেওয়া ৬ সিইও’র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বিচারিক আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার আসামীরা হলো : (১) এমটিএফই এর সেবা অনলাইনের এমডি নোমান আহম্মেদ হাওলাদার, পিতা : মো: আলাউদ্দিন হাওলাদার, সাং : দক্ষিণ দিয়াসুর, থানা : গৌরনদী (২) এ্যাড মিজানুর রহমান (নান্নু), পিতা: আব্দুর রাজ্জাক খান, সাং: বান্দ রোড, বরিশাল। (৩) সাবিনা ইয়াসমিন, স্বামী : এ্যাড. মিজানুর রহমান (নান্নু), সাং: বান্দ রোড, বরিশাল। (৪) মো: মিলন হোসেন বাদশা, পিতা : মো: আবুল হোসেন সরদার, সাং সরদার বাড়ি, ৫ নং ওয়ার্ড, উজিরপুর (৫) মোসা: মাহামুদা বেগম, স্বামী : মিলন হোসেন বাদশা (৬) মো: অলি, পিতা মো: মিলন হোসেন বাদশা, সাং সরদার বাড়ি, ৫ নং ওয়ার্ড, উজিরপুর।
বাদী মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন- আসামীরা জালিয়াতি ও প্রতারণা চক্রের সদস্য। যারা অনলাইন ভিত্তিক এ্যাপস এর মাধ্যমে বহু টাকা আত্মসাত করেছেন। লোভনীয় অফারে উক্ত এমএলএম কোম্পানীর আদলে পরিচালিত এমটিএফই এ্যাপস এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা ইনভেস্ট নিয়ে আসছিলেন। শুরুতে গ্রাহকদের আস্তা তৈরি করতে গ্রাহকদের এ্যাকাউন্টে নামে মাত্র টাকা প্রদান করেন। এতে গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জন করে মোটা অঙ্কের টাকা ইনভেস্ট করতে আগ্রহী করে তোলে। এরইধারাবাহিকতায় গ্রাহকদের বহু টাকা ওই এ্যাপসের মাধ্যমে তাদের নিজেদের এ্যাকাউন্টে নিয়ে নেন। উক্ত এ্যাপসটি অনলাইনে পরিচালিত হয়। যা দীঘদিন যাবত গুগল সার্ভার কর্তৃক নিখুতভাবে পরিচালিত হয়। উক্ত এ্যাপসের তথ্য ১৪ আগস্টে সম্পূর্ন বিলুপ্ত হলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ্যাকাউন্ট এ্যাপসের তথ্য না পেয়ে গ্রাহকরা বরিশালের সিএন্ডবি রোডস্থ সেবা অনলাইন অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে সেখানকার দায়িত্বশীলারা গ্রাহকদের বলেন, আপনাদের টাকা বিদেশিরা নিয়ে গেছে। এরপর বার বার গ্রাহকরা ওই অফিসে যোগাযোগ করলে গ্রাহকদের টাকা দেই, দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করতে থাকে। পরবর্তীতে গ্রাহকদের টাকা নেওয়ার কথাও অস্বীকার করে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকি দেয়। পূণরায় টাকা চাইতে আসলে গ্রাহকদের খুন জখমের হুমকি প্রদান করে। বর্তমানে আসামীরা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়ে আছে।
মামলার বাদী জানান, এ ঘটনায় অন্য গ্রাহকরা বাদী হয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে, বাদী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, এ্যাড. মো: দেলোয়ার হোসেন মুন্সি, এ্যাড. মোকলেচুর রহমান বাচ্চু, এ্যাড. মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, এ্যাড. মো: সোহেল রানা শান্ত, এ্যাড. মো: বাবুল হোসেন, এ্যাড. মো: রাকিবুল ইসলাম।

সর্বশেষ