১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তালতলীতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় জিডি ব্রাজিলের হারে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে বরগুনার এক সমর্থক ! নয়াপল্টনে পুলিশের সরব অবস্থান ! বিএনপি অফিসের ফটকে তালা সেমিফাইনালে যুদ্ধ হবে আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া ! বাদ পড়লো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ঢাকা-বরিশাল রূটের চারটি লঞ্চের যাত্রা বাতিলঃ বিএনপি বলছে সরকারের চক্রান্ত বরিশাল নগরীতে ঝুঁকিপূর্ন ভবনমালিক কতৃক পুকুর ভরাটের পায়তারা ! পাইলসের রোগীর অপারেশন হয়েছে জিহ্বায় ! ডাক্তার বললেন, ভুল হয়েছে... অন্যায় ও বিতর্কের বাইরে থেকে মানবাধিকার কর্মীদের কাজ করতে হবে : কেসিসি মেয়র বাকেরগঞ্জে বৃদ্ধা নারীকে হত্যার চেষ্টা, শেবাচিমে ভর্তি!

চরফ্যাশনে উম্মুক্ত পরীক্ষায় চরম বিশৃঙ্খলা

নিজস্ব প্রতিবেদক,ভোলা :
চরফ্যাশন বাউবি বিএ ও বিএসএস পরীক্ষায় নকলের মহাউৎসব চলছে। ইউএনওর প্রতিনিধি পরীক্ষা চলাকালীন ৫টি পরীক্ষার কক্ষ থেকে ২৫টি নতুন বই (নোট-গাইড) উদ্ধার করেছেন।
সূত্রে জানা গেছে, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  চরফ্যাসন কোর্স কেন্দ্র রয়েছে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ। শুক্রবার সকালে বাংলা ভাষা-১ ও বিকালে ইসলামী ষ্টাডিজ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত বাংলা ভাষা ও বিকালে ইসলামী স্ট্যাডিজ পরীক্ষায় নকল চলছে হরদমে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এর  (ইউএনওর) প্রতিনিধি পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (আরডিও) এস এম সুমন সকালের সাংবাদিককে জানান, পরীক্ষার ৫টি কক্ষ থেকে ২৫টি ছিড়া ও নতুন বই নিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষে রেখেছেন বলে। তিনি আরও বলেন, আমি নকল করায় কারণে এক ছাত্রের পেপার নিলে অধ্যক্ষ পেপার আমার হাত থেকে টেনে নিয়ে ছাত্রের হাতে দেন।
সরেজমিনে কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, অধ্যক্ষ কক্ষে প্রবেশ করে উচ্চ স্বরে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন। এতে ছাত্র -ছাত্রীর পরীক্ষার মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে বলছে সংবাদ কর্মীর কাছে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।
এই কেন্দ্রে মোট ১৯৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন, ৭৫জন। বিকালে ১১১ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
 কেন্দ্রে বর্হিরাগতদের হলে বেশ বিশৃংখলা দেখা গেছে।
বাউবি‘র (ভোলা) সহকারী পরিচালক মো. ইউনুচ বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন কোন সংবাদ কর্মী কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেনা। কেন্দ্রে নকল চললে কি করবে এমন বিষয় তিনি বলেন, সেটা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের ব্যাপার।
পরীক্ষা কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. হোসেন বলেন, পরীক্ষার্থীরা আইডি ও কোর্সের বিষয় জানেনা। এই জন্যে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করছি। তবে কেন্দ্রে বই পাওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।
Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ