২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চরফ্যাশনে সরকারী কলেজ সহকারী’র ঝুলন্ত মরদেহ নিয়ে ধুম্রজাল!

নিজস্ব প্রতিবেদক : চরফ্যাশন সরকারী কলেজের অফিস সহকারী বিবি খাদিজা নাসরিন (২৯) এর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।

বিবি খাদিজা (নাসরিন) পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডের হাদিস মিস্ত্রী বাড়ির মো. ফারুক হোসেনের বড় মেয়ে।

রবিবার (২২নভেম্বর) সন্ধ্যায় পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ড কালিয়াকান্দি গ্রামের দেওয়ান বাড়িতে বিবি খাদিজা নাসরিনের শ্বসুরবাড়ি থেকে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় চরফ্যাশন থানাপুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

এসময় তার রুমের খাট থেকে একদিনের একটি নবজাতক শিশু জীবিত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে।

এঘটনায় চরফ্যাশন থানায় (২৩নভেম্বর) সোমবার সকালে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিবি খাদিজার ভাই মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল জানান গত ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় আমার বোনের চরফ্যাশন হাসপাতালে একটি নবজাতক ছেলে হয়েছে। পরদিন রবিবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে আমার বোনকে তার শ্বসুর বাড়িতে তার স্বামী কামাল হোসেন নিয়ে যাওয়ার পরে সন্ধ্যায় আমরা গলায় ফাঁস লাগানো ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই।

আমার বোনের প্রায় দুই বছর আগে ওই এলাকার আবুল হোসেন দেওয়ানের ছেলে মো.কামাল হোসেন দেওয়ানের সঙ্গে বিবাহ হয়।

তবে এর আগেও কামাল হোসেনের দুই স্ত্রী থাকলেও তাদেরকে কামাল তালাক দিয়েছে।

কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে কামালের একটি মামলা চলমান রয়েছে। পরিকল্পীতভাবে আমার বোনকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরাই হত্যা করেছে।

এবিষয়ে জানতে ওই এলাকায় গিয়ে কামাল হোসেনসহ তার পরিবারের কাউকেই পাওয়া যায়নি।

এঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে ওই এলাকায় ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে।

চরফ্যাশন থানার ওসি মনির হোসেন বলেন, বিবি খাদিজা (নাসরিন) এর ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারনা করা হচ্ছে। এঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। লাস ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় বিবি খাদিজা নাসরিনের লাস ময়না তদন্ত শেষে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসলে ওই এলাকায় স্বজনদের কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে ওঠে।

স্থানিয় এলাকাবাসী এঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email