১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপঃ কুয়াকাটা সৈকত থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান চর জহিরুদ্দিনের মোশাররফ হোসেন কাশেমকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন বরিশালে বৃষ্টি-জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা ! বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃ্দ্ধকে মারধর, শেবাচিমে ভর্তি ! রাঙ্গাবালীতে তেল সারের মূল্যবৃদ্ধিতে কৃষকের গলার কাঁটা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আশ্রয়নের ঘরে থাকছে না বেশিরভাগ সুবিধাভোগীরা, ঝুলছে তালা মনপুরায় লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জ্যো’র প্রভাবে মেঘনার জোয়ারে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত মনপুরায় লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জ্যো’র প্রভাবে মেঘনার জোয়ারে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আশ্রয়নের ঘরে থাকছে না বেশিরভাগ সুবিধাভোগীরা, ঝুলছে তালা ঝালকাঠিতে অগ্নিদগ্ধ লঞ্চ এমভি অভিযান-১০ মালিককে ফেরত

ঝালকাঠিতে ভাঙা পুলের উপরে সাঁকো দিয়ে পারাপার করছেন ৫ গ্রামের মানুষ

অনলাইন ডেস্ক :: ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালের উপরের পুলটি ভেঙে যাওয়ায় পাঁচ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে শতশত মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

বিকল্প কোনো পথ না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা পুলের উপরে সুপারি গাছের সাঁকো দিয়ে লোকজন পারাপার হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। পুল সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসী একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ কারণে কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য কৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিনাপানি কেবিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ কানাইপুর, শিবপুর, দক্ষিণ কৈখালী, দক্ষিণ চেঁচরী ও বিনাপানি গ্রামের শতশত মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম তালুকদার জানান, এলজিইডির অর্থায়নে পুলটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবনের কাজের মালামাল নেয়ার সময় পুলটি ভেঙে খালে পড়ে যায়। ঠিকাদার পুলটি সংস্কার করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা করেনি। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর স্বাক্ষর নিয়ে উপজেলা এলজিইডি অফিসে অভিযোগ করেছি, কোনো ফল পাইনি।

শৌলজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, ওই পুলটি সংস্কারের জন্য এলজিইডির প্রকৌশলীকে বলেছি তারা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নেওয়ার কথা বলেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী (এজিইডি) সাদ জাগলুল ফারুক জানান, আমি এখানে যোগদানের আগে পুলটি ভেঙেছে। আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখবো, যদি ঠিকাদার ভেঙে থাকেন, অবশ্যই তিনি মেরামতের ব্যবস্থা করে দেবেন। তবে পুলটি অন্য প্রকল্প থেকে করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুফল চন্দ্র গোলদার জানান, স্কুলের কাজের সময় পুলটি ভেঙে যায়। পরে আমি তাদের ডেকেছিলাম। ইঞ্জিনিয়ারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, ঠিকাদারের খরচে মেরামত করার জন্য। ঠিকাদার যদি সেটি না করে থাকে, তাহলে তার জামানত আটকে দেয়া হবে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ