৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভোলায় অনলাইন মার্কেটিং ও কমিউনিটি মিনি ফেয়ার ২০২২ অনুষ্ঠিত নৌকা মুক্তির সোপান, দেশের মানুষকে মুক্তি দিয়েছে নৌকা নির্ধারিত সময়ের পাঁচ ঘন্টা আগেই শুরু হলো রাজশাহীতে বিএনপির গণসমাবেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় পরিষদকে বরিশাল নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা শেখ হাসিনা সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় না এলে এদেশে কোন সম্প্রীতি থাকবে না আবারও এদেশে পাকিস্তানী পতাকা উ... জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হলেন বরিশালের মামুন-অর-রশিদ বরিশালে কর্মীদের জুতাপেটা করে শাসন করলেন ছাত্রলীগ নেতা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র কেন্দ্রীয় কমিটিতে পুনরায় পদ পেলেন বরিশালের দুই সাংবাদিক "টাইমস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ" ক্যাম্পাস জীবনের শেষ প্রান্তে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

টেন্ডার ছাড়াই মালামাল বিক্রি করলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক

হারুন অর রশিদ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।
বরগুনার তালতলীতে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের জরাজীর্ণ লোহার বেঞ্চ, জানালার গ্রিলসহ অন্য আসবাবপত্র বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০নং উত্তর কড়ইবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। একই ভবনের পাশে থাকা আরেকটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলে তার মালামাল টেন্ডার দিয়ে বিক্রি করলেও আগের ভবনটির মালামাল টেন্ডার বা বিক্রির অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। গত ২১ ফেব্রæয়ারি দুপুরে বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ও পুরাতন মালামাল প্রকাশ্যে নিলামের কথা থাকলেও তা মেনে স্থানীয় শাহ-আলমের কাছে বিক্রি করে দেন বিদ্যালয়ের সভাপতি মেনাজ উদ্দিন সিকদার এবং প্রধান শিক্ষক শাহিদা বেগম। কত টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে তা জানা যায়নি। আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ মণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রধান শিক্ষক শাহিদা বেগম বলেন, মাত্র ৫ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। এ টাকা বিদ্যালয়ের কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মেনাজ উদ্দিন সিকদার বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল আলম বলেন, টেন্ডার ছাড়া স্কুলের যে মালামাল বিক্রি করা হয়েছে, তা ব্যবস্থা নেয়ার মত কোনো অপরাধ নয়। তাই আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, এক টাকার সরকারি মালামাল হলেও তা টেন্ডার দিয়ে বিক্রি করতে হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কেন এভাবে বলছে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু জানি না। তবে তার সঙ্গে কথা বলে জানানো যাবে।
হারুন অর রশিদ
আমতলী, বরগুনা
01717271159

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ