২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

তালতলীতে চুরির অভিযোগে যুুবককে অমানুষিক নির্যাতন!

তালতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি,,
বরগুনার তালতলীতে যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ায় সেই যাত্রীরাই মোবাইল চুরি করে ড্রাইভার জহিরুল(২৫) কে চুরির অপবাদে দিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার(১৪ মে) জহিরুল নামের এক যুবকের ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক গাড়িতে যাত্রী হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় ঘুড়ে বেড়ায় সাগর,আলামিন,আকাশ নামের তিন যুবক। উপজেলার লাউপাড়া বাজারের মিষ্টির দোকানে যায় ঐ যাত্রীরা পাশেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ভাগনি মোবাইল ফোন টেবিলের উপর থেকে মোবাইলটি চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিবিন্ন মাধ্যেমে ঐ তিন যাত্রীকে বলা হলে ইজিবাইক গাড়ির সিটকেটে মোবাইলটি রাখেন তারা। পরে ড্রাইভার জহিরুলকে ফাঁসিয়ে দেয় যে ড্রাইভারই মোবাইলটি চুরি করে নিছে। স্থানীয়রা বিষয়টি মাধ্যেমে মোবাইল ফোন দিয়ে আসার কারনে জহিরুল  মালিপাড়া আসার পর রহমান বেপারী,জসিম, সাইদুল, মজনু, ও ছোহরাফ মিস্ত্রী বেদরক মারধর করেন। এ সময় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন,আলম, ইউনুস সহ আরও অনেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন । পরে জহিরুলকে আহত অবস্থায় রাতে বাড়িতে পাঠানো হলে রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরের দিন আমতলী হাসপাতালে  চিকিৎসা ভর্তি করানো হয়।
আহত জহিরুল বলেন, আমার আমার গাড়ির  সিট কেটে চুরি হওয়া মোবাইলটি রাখেন ঐ তিন যাত্রী। মোবাইল ফোন তাদের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়। পরে  সাগর ,আলামিন, আকাশ এই তিনজনকে বাঁচাতে সম্পূর্ণ দোষ আমার মাথা উঠিয়ে দেয়। পরে রহমান ব্যাপারি তার নাতিদের বাঁচাতে তাদেও দলবলসহ আমাকে মারধর করেন।
মারধরে অংশ নেওয়া জসিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,মোবাইলটা ড্রাইভার জহিরুল চুরি করেছে। তার কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়েছে তাই জহিরুলকে দুইচারটা চরথাপ্পর দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, কোনো নির্যাতনে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থ্যা নেওয়া হবে।
Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ