১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সপরিবারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঐতিহ্যবাহী এ.কে স্কুলের প্রধান শিক্ষক চরমোনাই পীর, ভিপি নুর ও ড.কামালকে দালাল হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার চরফ্যাসনে আলোকিত সকাল পত্রিকার ৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের অর্ধ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত চরফ্যাসনে আলোকিত সকাল পত্রিকার ৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন খুলনার তরুণীকে কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে আটকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১ শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাবুগঞ্জে প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে খাদ্য দিবস উপলক্ষে অলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারাদেশে আরও ১৮৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি কোরআন সম্পর্কে অশালীন ও কুৎসিত পোষ্টঃ গৌরনদীতে ‘মহানন্দ বাড়ৈ’ আটক

তালতলীতে সার সংকট, দিশেহারা কৃষক

হারুন অর রশিদ,

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ সারা-দেশের ন্যায় বরগুনার তালতলী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আমন ধানের চারা রোপণের মৌসুম চলছে।টাকা দিয়েও মিলছে না সার।মৌসুমের শুরুতেই সার-সংকট দেখা দিয়েছে।এতে ব্যাহত হচ্ছে ধানের উৎপাদন।জমিতে সার দিতে না পারায় কৃষক দের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।ডিলার ও বিক্রেতাদের দোকানে গিয়েও কৃষকরা সার পাচ্ছেন না।

সরেজমিনে দেখা গেছে,বাজারের খুচরা বিক্রেতারা সরকারি নিয়ম মেনে সার বিক্রয় করে আসছে।প্রতি বস্তা টিএসপি সারের দাম ১১৫০টাকা, ইউরিয়া সারের দাম ৮২০ টাকা, ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) ৮২০ টাকা,এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) ৮০০ টাকা করে।সারের ডিলাদের মাধ্যমে কিনে খুচরা বিক্রেতারা ন্যায্য মূল্য সার বিক্রি করে থাকে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার আমন মৌসুমে হাইব্রিড স্থানীয় জাত মিলিয়ে ১৮ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।আমন চারা কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার কোথাও ইউরিয়া সার নেই। ভুক্তভোগী কৃষকরা শহর ও গ্রামের সারের ডিলার ও পাইকারী দোকানগুলোতে খুঁজে কোথাও সার পাচ্ছেন না।

জানা গেছে,সরকারি বিধি অনুসারে প্রতি ইউনিয়ন ভিত্তিক সারের ডিলার হতে পারবে।উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন থাকলে ও ৬টি ইউনিয়নে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুধু মাত্র একটি ইউনিয়নের সারের ডিলার নেই।কিছু ডিলার আছে অন্য ইউনিয়ন বা উপজেলায় বাস করলেও ডিলার কোনো যাচাই -বাচাই ছাড়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।গত ১ সেপ্টেম্বর বরিশাল বাফার কর্তৃপক্ষেরঅনুকূলে টাকা জমা দিলেও তারা এখনো সার পায়নি। সার না পাওয়ায় তারা কৃষকদের সার দিতে পারছে না বলে জানান।

কৃষকরা অভিযোগ করেন,আমন মৌসুমের শুরু থেকেই সার সংকট দেখা দিয়েছে।সারের জন্য ডিলাদের কাছে গেলে বলে সার নেই।সময়মত সার জমিতে সার না দিতে পারলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।সারের ডিলারাই খুচরা সার বিক্রেতাদের সার দিতে পারছে না।খুচরা কীটনাশক বিক্রেতাদের কাছে গেলেও সার পাওয়া যাচ্ছে না।কিছু কিছু খুচরা সার ও কীটনাশক বিক্রেতাদের কাছে গেলে কীটনাশক কিনলে সার দেওয়া যাবে।তা না হলে শুধু সার দেওয়া যাবে না।আমরা কৃষকরা আজ অসহায় হয়ে গেছি। কেউই বিষয়টি দেখছে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার (অতিরিক্ত) জনাব মো. সিএম রেজাউল করিম বলেন,তালতলীতে সার না থাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করার চেষ্টা করছি।
হারুন অর রশিদ,
আমতলী বরগুনা।
০১৭১৭২৭১১৫৯

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ