৬ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতা আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

মির্জা আহসান হাবিব ঃ বরগুনার আমতলীতে অনেকটাই অসহায় হয়ে পড়েছেন দলের ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত ২০০১ ইং সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা (সাবেক আমতলী- তালতলী) এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন,পরবর্তীতে উপ নির্বাচনে দলীয় মনোয়ন পান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান। দুর্ভাগ্যবশত ওই নির্বাচনে তিনি হেরে যান। এরপর (আমতলী তালতলী)আসন ভাগ হয়ে যায়। ২০১৯সালের নির্বাচনে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এরপর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে।এমনকি বরগুনা জেলার আলোচিত ঘটনা আমতলীতে যুবলীগ নেতা এডভোকেট আরিফ উল হাসান ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে অথচ তখন দলের দুঃসময়ের কর্মী এডভোকেট আরিফ পুলিশের হাতে আটক,পরবর্তীতে নানা নাটকীয়তার মাধ্যমে ইউ এন ও কে ভুল বুজিয়ে আরিফ উল হাসান এর বিরুদ্ধে দেয়া হয় মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা।
সর্বশেষ গত রবিবার এই বিষয়টি নিয়ে যখন সমঝোতা বৈঠক হয় এবং সমাধানের সিদ্ধান্ত হয় তখনই পরিকল্পিত ভাবে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেন তার বিরুদ্ধে ।

গতকাল সোমবার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে এক জরুরি সভা ডেকে কতগুলো মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা দেয়া হয়।

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান তার বক্তব্যে বলেন,আমি দলের দুঃসময়ে আমতলী তালতলী উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিজ পরিবারের সদস্যদের মতো বুকে আগলে রেখেছি।
যার রাজস্বাক্ষী তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নিজেই।কিন্তু আমাদের দূর্ভাগ্য আজ দল যখন ক্ষমতায় তখনই কিছু মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।

আমি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি বলে কিছু মহল আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ