১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঝালকাঠিতে স্ত্রীর যৌতুক মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা শ্রীঘরে ববিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০টি আসন গলাচিপায় স্কুলের কমিটি নিয়ে তর্ক, সহকর্মীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ শিক্ষকের টানা দুই মাস মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রমে মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা গলাচিপায় শিক্ষকের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত, তদন্তে কমিটি আমতলী পৌরসভার বাসস্ট্যান্ডে বাঁশের বেড়া, যাত্রীসেবা সড়কে বাউফলে প্রেমিক যুগলকে না পেয়ে প্রেমিকার বাবাকে মারধর দেশ ও ইসলাম রক্ষায় বৃহত্তর ঐক্যের বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর নলছিটিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা আটক বরিশালে বড়ই বিক্রেতাকে পেটালেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার সহযোগী

হতদরিদ্রদের ভাতা’র টাকা চলে যাচ্ছে অজ্ঞাত নাম্বারে

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার সমাজ সেবা অফিসের একশ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে অসহায় দরিদ্র ভাতার টাকা চলে যাচ্ছে অজ্ঞাত নম্বরে। রেজিস্ট্রেশন করার সময়ে অদক্ষ মানুষ দিয়ে নগদ অ্যাকাউন্ট করার কারণে অনেক মোবাইল নম্বর ভূলসহ নানা কারণে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতার টাকা তুলতে গিয়ে হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে। আগে ব্যাংকের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে এলাকার শত শত লোকজন ভাতার টাকা তুলতেন। এতে কষ্ট ও হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই বাড়িতে চলে যেত। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুরু হয় ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআরএস)। যার মাধ্যমে ঘরে বসেই ভাতা মোবাইলের মাধ্যমে উত্তোলন করার প্রক্রিয়া চালু হয়। কিন্তু বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন দৃশ্য। ভাতার টাকা আসল নম্বরে না গিয়ে চলে যাচ্ছে অন্য নম্বরে। আর এই টাকাগুলো অনায়াসে তুলে নিচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র।
উপজেলার সমাজ সেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় সরকারি ভাতা ভোগীদের সংখ্যা মোট ৮ হাজার ৮শ’ ৬৫ জন। এর মধ্যে বয়স্ক ৪ হাজার ৭শ’ ৮ জন, বিধাব ২ হাজার ৩৪ জন ও অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা ১ হাজার ৭শ’ ২৩ জন । তাঁদের প্রত্যেকেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতাই আনা হয়েছে।
উপজেলার দক্ষিন দাস পাড়া গ্রামের ভাতাভোগী আনোয়ার বেপাড়ি জানান, তাঁর দেওয়া নগদ নম্বরে টাকা আসেনি। তিনি অফিসে অভিযোগ করলে জনৈক কর্মকর্তা বলেন, আপনার টাকা অন্য নম্বরে চলে গেছে। এতে আমাদের কিছুই করার নেই। আবার অনেকে বলছে নিজের দেওয়া নম্বরে টাকা এলেও পিন নম্বরের কারণে টাকা তুলতে পারছে না। ফলে নানা ধরনের ভোগান্তির কারণে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী বিধবা নারীরা দিনের পর দিন অফিসে ঘুরেও ভাতার টাকা তুলতে পারছে না।
বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আনছার খলিফা ও সংরক্ষিত সদস্য মোসা. মাজেদা বেগম জানান, ভাতাভোগীর প্রায় শতাধিক নারী পুরুষের টাকা আসেনি তাদের নগদ অ্যাকাউন্টে। ভাতভোগীরা দিনের পর দিন সমাজ সেবা অফিসে আসে-যায়।
সমাজ সেবা অফিসে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে গেলে তাঁদের সঙ্গে সমাজ সেবা অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা খারাপ আচরণ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে সমাজ সেবা অফিসের কিছু লোকের অবহেলার কারণে সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এর (০১৭৪৬৬৪০৯৯৭) মোবাইলে কল দিলে রিসিভ না করার কারনে কোন বক্তব্য দেয়া যায়নি।

সর্বশেষ