মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবি কর্তৃক উন্নতমানের ৮টি স্বর্ণের বার আটক চলমান কর্মসূচী অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের হাতিয়ার : পিরোজপুরে ড. সায়েম আমীর নাজিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে দোয়া ও আলোচনা সভা ভান্ডারিয়ায় ইজিবাইকের চাপায় বৃদ্ধ নিহত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা উদযাপন করুন : ডিসি খাইরুল আলম পটুয়াখালীতে র‌্যাবের হাতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার কোনো ধর্মেই খারাপ কাজ করতে বলা হয়নি : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বাউফলে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু বরিশালে নববধূকে আটকে রেখে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার বরগুনায় কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণ, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি
দাফনের আগে কেঁদে ওঠা শিশুটির নাম রাখা হল ‘মরিয়ম’

দাফনের আগে কেঁদে ওঠা শিশুটির নাম রাখা হল ‘মরিয়ম’

Print Friendly, PDF & Email

চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পর দাফনের সময় কেঁদে ওঠা নবজাতকটির নাম রাখা হয়েছে মরিয়ম। তাকে এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
নবজাতকটির বাবা ইয়াসিন বলেন, এটি তার দ্বিতীয় বাচ্চা। এর আগে তার ১০ বছরের ইসরাত জাহান নামে আরেকটি মেয়ে রয়েছে। তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মালঙ্গা গ্রামে। তুরাগ ধউর নিসাতনগর এলাকায় থাকেন তারা। তার স্ত্রী গৃহিণী ও তিনি বিআরটিসির বাসচালক।
চিকিৎসকদের এমন ভুল সিদ্ধান্ত ও পরামর্শের জন্য তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দিন আগে বুধবার ৬ মাস ১৬ দিনের অন্তঃসত্ত্বা অসুস্থ স্ত্রীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তখন তাকে চিকিৎসকরা জানান, তার প্রেশার অনেক হাই। বাচ্চাটি ডেলিভারি না করালে তার প্রেশার কমবে না। চিকিৎসকদের কথায় সম্মতি দেওয়ার পর ওইদিন রাতেই তাকে লেবার রুমে নিয়ে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। ডেলিভারি না হওয়ায় তাকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দুই দিন চেষ্টার পর গতকাল ভোরে তার আবার ব্যথা শুরু হয়। এরপর পৌনে ৫টার দিকে তার স্ত্রী শাহিনুর বেগম এক কন্যা সন্তান প্রসব করেন।
তবে চিকিৎসকরা জানান, বাচ্চাটি মৃত অবস্থায় হয়েছে। এরপর হাসপাতালের আয়া মৃত বাচ্চাটিকে প্যাকেট করে বেডের নিচে রেখে দেন এবং কোথাও নিয়ে দাফন করার জন্য বলেন। সকাল ৮টার দিকে নবজাতকটির বাবা ইয়াসিন নবজাতককে দাফন করার জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে এক হাজার ৫০০ টাকা সরকারি ফি দিতে না পারায় তাদের পরামর্শে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে ৫০০ টাকা ফি ও কিছু বকশিস দেওয়ার পর মৃত নবজাতকটির জন্য কবর খোঁড়া শুরু হয়। কবর খোঁড়ার প্রায় শেষ পর্যায়ে শিশুর কান্নাকাটির শব্দ শুনতে পান। তিনি আশপাশে কোথাও কিছু না পেয়ে পরে পাশে রাখা নবজাতকটির দিকে খেয়াল করেন। এরপর প্যাকেট খুলে দেখেন বাচ্চাটি নড়াচড়া ও কান্নাকাটি করছে। পরে নবজাতককে দ্রুত আবার ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চিকিৎসকরা দেখে নবজাতক বিভাগে ভর্তি করেন।

 70 total views,  2 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

add



© All rights reserved © 2014 barisalbani