২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বরিশালে ভ্যাপসা গরম, অবশেষে বৃষ্টি ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গভর্নর নিহ*ত নিশানবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ: ফিলি*স্তিনে গ*ণহ*ত্যা বন্ধের দাবী দেশের বীমা খাতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২৯ মে সারাদিন লালমোহন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিন আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম সৌদিতে ২৮৭৬০ বাংলাদেশি হজযাত্রী পৌঁছেছেন, দুইজনের মৃত্যু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন : দ্বিতীয় ধাপে ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

নাজিরপুরে নদীগর্ভে বিলীন স্কুল-মন্দিরসহ শতাধিক প্রতিষ্ঠান

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মধুমতি নদীতে প্রবল ভাঙনে নদী তীরবর্তী ২ নম্বর মালিখালি ইউনিয়নের সাচিয়া বাজার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে মালিখালি ইউনিয়নের স্কুল-কলেজ, মন্দির, বাসস্থানসহ শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। উপজেলা প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত থাকা সত্ত্বেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।

সাচিয়া বাজারের ব্যবসায়ী লিটন পাত্র জানান, বাজারে তাদের দুটি মিষ্টির দোকান ছিল। নদী ভাঙনের কবলে পড়ে তা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী আরও প্রায় ২৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনের শুরু থেকেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে ভাঙনরোধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

মালিখালি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন মণ্ডল (মিঠু) বলেন, মধুমতি নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে আমার ইউনিয়নের ১১ নম্বর ঝনঝনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাচিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, সাচিয়া বাজারের দোকান ঘর, জেলে সম্প্রদায়ের কয়েকশত ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, আমি কয়েকবার বিষয়টি উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় ও উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটিতে ভাঙনের বিষয়টি উত্থাপন করলেও আজ পর্যন্ত প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বালী জানান, সাচিয়া বাজার রক্ষায় সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে জিউব্যাগ ফেলে নদী ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কয়েকবার দরপত্র আহ্বানও করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দরপত্রদাতা পাওয়া যায়নি। ফলে কাজটি করা যাচ্ছে না।

সর্বশেষ