১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মুলাদীতে আড়িয়াল খাঁ নদে গোসল করতে নেমে ২ তরুণী নিখোঁজ বাকেরগঞ্জে বসতঘরে মিলল মাটিচাপা অবস্থায় বৃদ্ধার মরদেহ চরফ্যাসনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা, আহত ৪ তালতলীতে বনের ২৫০ পিস লাঠি সহ গ্রেফতার ২ দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গাড়ি ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ বৈশাখ উদযাপনে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত বাদলপাড়া একতা গোরস্থানে চিরনিদ্রায় সায়িত সাংবাদিক মামুনের ‘মা’ মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় - দুলারহাটে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা আহত-৪ বরিশাল শেবাচিমের প্রিজন সেলে আসামিকে পিটিয়ে হত্যা সাংবাদিক মামুনের মায়ের মৃত্যুতে বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের শোক

নানা সমস্যায় জর্জরিত গলাচিপার আমখোলার আশ্রয়ন প্রকল্প

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সঞ্জিব দাস,  গলাচিপা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি পটুয়াখালীর জেলার গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়ার চারআনা গ্রামে অবস্থিত বাউরিয়ার চারআনা আবাসন প্রকল্পের মানুষের নানা সমস্যায় জর্জরিত এবং মানবতার জীবন যাপন করছে। মানুষের মৌলিক চাহিদা মধ্যে শুধুমাত্র বাসস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে বাসিন্দাদের জন্য। আশ্রয়ন প্রকল্পটি সংস্কার না করায় টিন ফুটো ও মরিচা ধরে খসে পড়ছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,”আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” এমন শ্লোগানকে সামনে রেখে সরকারি উদ্দোগে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়ার চারআনা গ্রামে আশ্রয়ন প্রকল্পটি গড়ে ওঠে। ২০০১ সালে এই প্রকল্পটি উঠানো হয় সেই থেকে ৬টি ব্রাকে ৬০টি ঘরে ৬০টি পরিবার বসবাস শুরু করে। দীর্ঘ ১৯ বছরের মধ্য কোন সংস্কার না করায় টিন ফুটো ও মরিচা ধরে খসে পড়ছে। চালের উপর পলেথিন, ইট, কাঠ, মাটি দিয়ে কোনো রকম বৃষ্টির পানি থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছে বাসিন্দারা। ফলে কোনো কোনো বাসিন্দা আশ্রয়ন ছেড়ে চলে গেছেন অন্যত্র, স্থানীয় আশ্রয়ন প্রকল্পের মোসাঃ তাছলিমা বেগম, অসিমা বেগম, তানিয়া, নাজমা ও নাসিমা বেগব বলেন, ৬টি টয়লেটের মধ্যে ৪টি ব্যবহারের অযোগ্য। ৩টি নলকূপের মধ্যে দু’টি অকেজো। একটি দিয়ে কোন মতে সুপেয় পানির কাজ চলছে। গোসলের একমাত্র ভরসা পাশের খালের পানি। নারী ও শিশুদের চিকিৎসার জন্য নেই কোন সুব্যবস্থা। এখানকার অর্ধেক শিশুই স্কুলে যায় না।একাধিক ভুক্তভোগী মোঃ কবির গাজী, আলতাব মোল্লা, গনেশ, কালাম গাজী, বরুজান বিবি জানান, প্রকল্পের ইউনিট গুলো বসবাসের উপযোগী না। বৃষ্টি হলেই ঘরে পানি পড়ে। ঝড়ে খসে পড়ছে চালের পচা কাঠও। আহত হয়েছেন অনেকেই। দিনে-রাতে যখনই বৃষ্টি ও ঝড় হচ্ছে, তখনই বিছানাপত্র গোছ-গাছ করে বসে থাকতে হয়। এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় পানি সংকট, ভাঙ্গাচুরা নাজুক স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা। আমাদের আশ্রয়নে বিদ্ৎুতের খুটি এনে রেখেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের লাইন দিয়েছে ২৬টি ঘরে বাকি ৩৪টি ঘরে অন্ধকার আমরা রাতে অন্ধকারে বসবাস করি এবং আমাদের আশ্রয়ন প্রকল্পের জায়াগাটি এখ পর্যন্ত রেজিষ্ট্রারি করে দেয় নাই। এসব সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের কাছে বার বার ধরনা দিলেও মেলছে না কোনো সমাধান। তাদের দাবি, অতি দ্রুত আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরগুলো সংস্কারসহ সকল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে বসবাসের উপযোগী করে তোলা।ইউপি সদ্যস মোঃ হেলাল হাওলাদার বলেন, আমার কাছে যে বরাদ্ধ আছে তা দিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পটি উন্নয়ন করা সম্ভব না। এর পর যত সম্ভব আমি রাস্তাঘাট ঘর মেরামত এবং বিদ্যুৎতের জন্য চেষ্টা করেছি। আমি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরকে অবগত করেছি।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশিষ কুমার বলেন, আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়ার চারআনা গ্রামে অবস্থিত বাউরিয়ার আবাসন প্রকল্পের লোকজন আমার কাছে এসেছিলেন। ঘরগুলো পুন:সংস্কার ও সকল সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।##

সর্বশেষ