১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভোলা থিয়েটারের কমিটিতে সভাপতি লিটন, সম্পাদক বাঁধন ভোলায় ক্রিকেট ব্যাটের আঘাতে যুবকের মৃত্যু, থানায় মামলা পটুয়াখালীতে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন গলাচিপায় স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে স্বামী 'র বাড়িতে অনশন ডিবির অভিযানে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার ৬ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক! কাঠালিয়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে পিটিয়ে জখম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ - আহত ৩ । উজিরপুরে হানিফ পরিবহন ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ বিয়ের দাবী নিয়ে ইডেন পড়ুয়া ছাত্রী চরফ্যাশন প্রেমিকার বাড়িতে ২দফা অনশন! শিক্ষিকাকে কুপিয়ে হত্যার চেস্টা, গ্রেপ্তার-১

নান্দনিক সংস্কৃতি বিকাশের জন্যে মাতৃভাষার চর্চা বাড়াতে হবে- লায়ন গনি মিয়া বাবুল

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, নান্দনিক সংস্কৃতি বিকাশের জন্যে মাতৃভাষার চর্চা বাড়াতে হবে। মাতৃভাষার মাধ্যমে যত দ্রুত সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো সম্ভব অন্যকোন ভাষাতে তা সম্ভব নয়। প্রত্যেক মানুষের উচিত তার মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা করা এবং মাতৃভাষায় নিজস্ব জ্ঞান, দক্ষতা অর্জন করা। তিনি আরো বলেন, দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করতে সরকারসহ সকলকে সচেতন ও সচেষ্ট থাকতে হবে।লেখক উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে ২২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিকেলে ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মেলা মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মৈত্রী উৎসব ২০২৪’ ও স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং সঙ্গীত সন্ধ্যায় উদ্বোধক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, নিজস্ব ভাষার চর্চা, উন্নয়ন ও সুরক্ষার জন্য সরকারসহ সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বক্তব্যের পূর্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন।
লেখক উন্নয়ন কেন্দ্রের উপদেষ্টা সভ্যসাচী সমাজচিন্তক মু. নজরুল ইসলাম তামিজী এর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কবি ইমরোজ সোহেল, কবি আরিফ মঈনুদ্দিন, কবি কাপ্তান নূর, সাংবাদিক অশোক ধর, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী খান চৌধুরী মানিক প্রমুখ।

ভারত থেকে আগত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রানা মুখার্জীসহ জনপ্রিয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে এপার বাংলা ও ওপার বাংলার দুই শতাধিক কবি-সাহিত্যিক ও কণ্ঠশিল্পীগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ভারতের ও বাংলাদেশের কয়েকজনকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ