৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত  বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার দৌলতখানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড বেতাগীতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক না ফেরার দেশে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজি নাসির উদ্দিন বাবুল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে, স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে- চীফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য শুটকি উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের আলোচনা উজিরপুরে ৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

নৌকার প্রার্থী এমপি শাহজাদার সম্পদের চেয়ে ঋণ বেশি

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালী-৩ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদার অর্জিত সম্পদের চেয়ে ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি। তবে গত পাঁচ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৮ টাকা। আর স্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৪৭ লাখ ৮২ হাজার ৬২০ টাকার। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামায় দেখা যায়, ব্যবসা ও আমানত খাত থেকে তার বাৎসরিক আয় ৫০ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৮ টাকা। তবে এরমধ্যে সংসদ-সদস্য হিসেবে পাওয়া বেতন-ভাতার হিসেব উল্লেখ নেই। তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫০ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ২৩ হাজার ৬২০ টাকা।

এদিকে কোম্পানির কাছে এমপি শাহজাদার দায় রয়েছে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। যা ক্ষমতাসীন দলের এই সংসদ সদস্যের অর্জিত সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি।

হলফনামা সূত্রে আরও জানা যায়, এমপি শাহজাদার স্ত্রী কিংবা তার ওপর নির্ভরশীলদের বার্ষিক কোনো আয় নেই। তবে স্ত্রীর অস্থাবর-স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬২ লাখ ৫৫ হাজার ৮১ টাকা। কিন্তু স্ত্রীর কোথাও কোনো দায় নেই। এমপি শাহজাদার ব্যবসার ধরন টাইলস ও স্যানিটারি। যেখান থেকে তার বর্তমান বার্ষিক আয় ৫০ লাখ ৩৬ হাজার ৩২৮ টাকা। ২০১৮ সালে তার বার্ষিক আয় ছিল ৩২ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা। গত পাঁচ বছরে তার বার্ষিক আয় বেড়েছে ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৮ টাকা।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দাখিল করা হলফনামার হিসাব মতে তখন অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫০ লাখ ৬ হাজার ৪৮০ টাকা। আর বর্তমানে স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ২৩ হাজার ৬২০ টাকা। সেই হিসেবে এবার স্থাবর সম্পদ বেড়েছে ৪৭ লাখ ৮২ হাজার ৬২০ টাকা।

তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার নগদ ছিল ৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬ টাকা। এখন তার নগদ টাকা রয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৫১ হাজার ৮৬৪ টাকা। ৩২ লাখ ২৭ হাজার টাকা মূল্যের একটি নোয়া মাইক্রোবাসের পরিবর্তে এখন ৮২ লাখ ৪০ ২২২ টাকা মূল্যের একটি টয়োটা জিপ গাড়ি রয়েছে তার। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ৬১ হাজার ৪১৪ টাকা ও পৌনে সাত লাখ টাকা মূল্যের ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার। এক লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ফ্রিজ, টেলিভিশন ও আসবাবপত্র ছিল। স্বর্ণ আসবাবপত্র না বাড়লেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণ ১১ লাখ ১১ হাজার ৮৬৪ টাকা।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী তার স্ত্রীর কাছে নগদ টাকা ছিল পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা মাত্র। এখন তার কাছে নগদ টাকার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৭ হাজার ৫৬৪ টাকা। ১৪ লাখ টাকা মূল্যের স্ত্রীর নামে একটি প্রিমিয়ো টেক্সি গাড়ির পরিবর্তে এখন তিনি ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৫০৭ টাকা মূল্যের একটি মাইক্রোবাস রয়েছে। একাদশ ও দ্বাদশ নির্বাচনের হলফনামায় স্বর্ণালংকার দেখানো হয়েছে ২০ ভরি।

গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ আসন। দুটি উপজেলায় রয়েছে একটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন।

সর্বশেষ