২০শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পিরোজপুরে ৪র্থ শ্রেণি পাস কাঠমিস্ত্রি ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক!

অনলাইন ডেস্ক ::: পেশায় কাঠমিস্ত্রি। শিক্ষাগত যোগ্যতায় চতুর্থ শ্রেণি। পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর সদরের ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন অন্যের দোকানে শ্রমিক হিসেবে নিয়মিত কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন এমন যুবক জাহিদুল ইসলাম খান টনিকে করা হয়েছে জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি স্থানীয় মো. আনছার আলী খানের ছেলে।

এ ঘটনায় নাজিরপুরসহ জেলাজুড়ে সংগঠনের মধ্যে পদবঞ্চিতদের মধ্যে ক্ষোভসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর জেলা ছাত্রদলের ৩৪৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। এতে ৬৬ জনকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক করায় কমিটির ২২১ নম্বর সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন জাহিদুল ইসলাম খান টনি।

নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. শামিম হাওলাদার বলেন, টনি কখনো ছাত্রদল করেননি। তাকে ছাত্রদলের কোনো সভা-মিছিলেও দেখা যায়নি। জেলা কমিটি আমাদের (উপজেলা) সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই কয়েকজনকে পদ দিয়েছে। এতে প্রকৃত ছাত্রদলের কর্মীরা পদবঞ্চিত হয়েছেন। এতে পোশাক শ্রমিক নজিরপুরের উজ্জ্বল হালদার এবং এনজিও কর্মী এসএম শরীফুল ইসলামকে যথাক্রমে দেওয়া হয়েছে গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ।

এ ব্যাপারে জাহিদুল ইসলাম খান টনি বলেন, আমাকে কী কারণে পদ দেওয়া হয়েছে, তা জানি না। আমি বিএনপিকে মনে-প্রাণে ভালোবাসি। তবে আমার থেকেও অনেক অযোগ্যদেরও পদ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় টনির কর্মস্থলে বসে তার কাঠমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করার ছবি তুলতে চাইলে তিনি ছবি না তুলতে অনুরোধ করে আরও বলেন, ‘পদ যখন পেয়েছি, তখন এ ব্যাপারে নিউজ করে আমাকে ও দলকে অপমানিত করবেন না। ’

এদিকে জেলা ছাত্রদলের জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি মো. তানজিদ হাসান শাওন বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কীভাবে বা কাদের লবিংয়ে জেলাজুড়ে এমন আরও কিছু বিতর্কিত ব্যক্তিকে জেলা কমিটিতে স্থান দিয়েছে তা আমার জানা নেই

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ