১০ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তালতলীতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় জিডি ব্রাজিলের হারে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে বরগুনার এক সমর্থক ! নয়াপল্টনে পুলিশের সরব অবস্থান ! বিএনপি অফিসের ফটকে তালা সেমিফাইনালে যুদ্ধ হবে আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া ! বাদ পড়লো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ঢাকা-বরিশাল রূটের চারটি লঞ্চের যাত্রা বাতিলঃ বিএনপি বলছে সরকারের চক্রান্ত বরিশাল নগরীতে ঝুঁকিপূর্ন ভবনমালিক কতৃক পুকুর ভরাটের পায়তারা ! পাইলসের রোগীর অপারেশন হয়েছে জিহ্বায় ! ডাক্তার বললেন, ভুল হয়েছে... অন্যায় ও বিতর্কের বাইরে থেকে মানবাধিকার কর্মীদের কাজ করতে হবে : কেসিসি মেয়র বাকেরগঞ্জে বৃদ্ধা নারীকে হত্যার চেষ্টা, শেবাচিমে ভর্তি!

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই পায়রা সেতুর উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক :: পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কে নির্মাণাধীন লেবুখালী-পায়রা সেতু এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। এরই মধ্যে সেতুর অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সেতুর সর্বশেষ অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে রয়েছেন। আমাদের পরিকল্পনা ছিল সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার। সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই সেতু উদ্বোধন করা হবে।

পায়রা-লেবুখালী সেতুর প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হালিম বলেন, এরই মধ্যে মূল সেতুর ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এই সেতুতে বেশ কিছু নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশেষ করে নদীর মধ্যে এবং পাশে থাকা পিলারে যাতে কোনো নৌযান ধাক্কা দিতে না পারে সে জন্য পিলারের পাশে নিরাপত্তা পিলার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাত কিংবা ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সেতুর কোনো ক্ষতি হলো কি-না সেটি মনিটরিং করারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পায়রা নদীর ওপর ২০১৬ সালে লেবুখালী-পায়রা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লনজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশন এর নির্মাণ কাজ করেছে। ১৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯.৭৬ মিটার প্রস্থের সেতুটি ক্যাবল দিয়ে দুপাশে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নদীর মাঝে একটি মাত্র পিলার ব্যবহার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী সেতুর পর এটি দেশের দ্বিতীয়, যা এক্সট্রা ডোজ ক্যাবল সিস্টেমে তৈরি করা। কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে সেতর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৭০ কোটি টাকা।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ