৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত  বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার দৌলতখানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড বেতাগীতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক না ফেরার দেশে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজি নাসির উদ্দিন বাবুল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে, স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে- চীফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য শুটকি উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের আলোচনা উজিরপুরে ৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

ফের বাড়ছে যমুনার পানি, নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

পর পর দুই দিন স্থিতিশীল থাকার পর যমুনায় পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ধরলা নদীর পানি বইছে বিপত্সীমার ওপর দিয়ে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও বিপৎসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পদ্মার পানি কমতে শুরু করেছে; যদিও বিপৎসীমার নিচে নামেনি এখনো। পানি কমে গেলেও তিস্তায় ভাঙন অব্যাহত আছে।আঞ্চলিক পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সারিয়াকান্দি উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টেও বেড়েছে যমুনা নদীর পানি। বিপৎসীমার ওপরে আছে ধরলা নদীর পানিও। কুড়িগ্রামে ধরলার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও যেকোনো সময়েই অতিক্রম করতে পারে এর বিপৎসীমা।এদিকে রাজবাড়ীর অংশে পদ্মার পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। পদ্মার পানি কমতে থাকলেও গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৪৫ সেন্টিমিটার ও পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে ৫৮ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি। যার কারণে এখনো পানিবন্দি আছে রাজবাড়ী সদর, পাংশা, কালুখালী ও গোয়ালন্দ উপজেলার সাড়ে ৭ হাজার পরিবার। তবে সদরের মহন্দ্রেপুরে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।যমুনায় পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এর মধ্যে জেলার সাতটি উপজেলার ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে। তা ছাড়া জেলার চৌহালী, কাজীপুর উপজেলায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। এসব এলাকার ১৩টি গ্রামের অসংখ্য বসতবাড়ি ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এদিকে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও অব্যাহত রয়েছে ভাঙন। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়ায় ডানতীর প্রধান বাঁধের প্রায় তিন কিলোমিটার অংশ তিস্তার পানির তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তা ছাড়া ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ায় ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের চারটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকায় এর মধ্যেই প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলগুলো। কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলার আমন ধানের প্রায় সাত হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়ায় চিলমারী উপজেলার ব্যাঙমারা, সোনারীপাড়া, শাখাহাতি, ব্যাপারীপাড়া, কাচকোলসহ কয়েকটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।

 

সর্বশেষ