১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মুলাদীতে আড়িয়াল খাঁ নদে গোসল করতে নেমে ২ তরুণী নিখোঁজ বাকেরগঞ্জে বসতঘরে মিলল মাটিচাপা অবস্থায় বৃদ্ধার মরদেহ চরফ্যাসনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা, আহত ৪ তালতলীতে বনের ২৫০ পিস লাঠি সহ গ্রেফতার ২ দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গাড়ি ভাঙচুর, থানায় অভিযোগ বৈশাখ উদযাপনে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত বাদলপাড়া একতা গোরস্থানে চিরনিদ্রায় সায়িত সাংবাদিক মামুনের ‘মা’ মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় - দুলারহাটে সাংবাদিক পরিবারের ওপর হামলা আহত-৪ বরিশাল শেবাচিমের প্রিজন সেলে আসামিকে পিটিয়ে হত্যা সাংবাদিক মামুনের মায়ের মৃত্যুতে বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের শোক

ববি প্রশাসনের প্রতিবন্ধকতামূলক নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

শামীম আহমেদ ::: সামাজিক-সাংস্কৃতিক আয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রশাসনের প্রতিবন্ধকতামূলক নোটিশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছয়টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ববি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় নোটিশের ৩ ও ৪ নম্বর সিদ্ধান্ত বাদে বাকি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ববি প্রশাসনের দেওয়া নোটিশে সামাজিক-সাংস্কৃতিক আয়োজন রাত আটটা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এছাড়া অনুষ্ঠানের অনুমতির ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাসহ নানাভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা ওই নোটিশ প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে সামাজিক-সাংস্কৃতিক মঞ্চ পদাতিক, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা সংসদ (ববিচাস), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যদল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ড্যান্সফোরাম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি (বিইউপিএস) সহ অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সংগঠক আরিফুল ইসলাম আবির, মামজুদা মোস্তফা লামিয়া, সাগর মিত্র, ফারিয়া আনজুম নওশিন, ভূমিকা সরকার, হিসরাতুন হক নেহা প্রমুখ।

বক্তরা আরও বলেন, ববির অন্যতম দায়িত্ব পুরো দক্ষিণবঙ্গকে সাংস্কৃতিক ও চিন্তার জগতে নেতৃত্ব দেওয়া। সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই যখন সামাজিক-সাংস্কৃতিক আয়োজনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় তখন স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে যে সকল সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ক্রিয়াশীল আছে তাদের সবাই স্বউদ্যোগে, স্বেচ্ছাশ্রম এবং নিজেদের প্রচেষ্টায় অর্থ সংগ্রহ করে তাদের আয়োজনগুলো সম্পন্ন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সংগঠনগুলোর কোনোরকম দায় না নিয়ে উল্টো তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে, যা আমাদের জন্য পীড়াদায়ক। মানববন্ধন শেষে সকল সংগঠনের প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে সাক্ষাত করার পর উপাচার্য তাৎক্ষণিক বুধবার ঘোষিত নোটিশ স্থগিত করেন। পরবর্তীতে সব সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ করে নতুনভাবে কর্মপরিকল্পনা সাজানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

সর্বশেষ