২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ রাঙাবালীতে ইয়াবাসহ আটক-১ ঝালকাঠিতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে আমতলীতে গরমে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে নারীর মৃত্যু বরিশালে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবি রাজাপুরে শিক্ষার্থীদের অনুদানের বরাদ্দ ৫ হাজার, কিন্তু পেয়েছে ৩ হাজার! বরিশালে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি থাকায় বেড়েছে শিশু শ্রমের হার নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ সিরাজগঞ্জে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ প্রদান ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ শিক্ষার্থীরা পেল ৩ হাজার রাজাপুরের সোনারগাঁও স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বি...

বরগুনা ও পাথরঘাটা পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীতে নাকাল আ.লীগ, সুবিধা নিতে চায় বিএনপি

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার) বরগুনা সদর ও পাথরঘাটা পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে। কিন্তু ভোটগ্রহণ পৌরসভার হলেও নির্বাচনী আমেজ পুরো উপজেলাজুড়েই। আর তাই শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় সরগরম গোটা নির্বাচনী এলাকা। নানা প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরাও। এদিকে দুটি পৌরসভাতেই বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে একক প্রার্থীর সুবিধা নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হতে চায় বিএনপি। সম্প্রতি বরগুনা সদর ও পাথরঘাটা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, বরগুনা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সাবেক বরগুনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র মো. শাহাদাত হোসেন। আর পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার আকন। সেখানেও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ও শাহ আলম মল্লিক। এর মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান পাথরঘাটা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ও শাহ আলম মল্লিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় থাকায় দলীয় প্রার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। তাদের অভিমত, বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে আওয়ামী লীগের জয়টা সহজ হয়ে যেত। বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণেই এখন আওয়ামী লীগের ভোট দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। এ সুবিধা কাজে লাগাতে পারেন বিএনপির একক প্রার্থী। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, প্রচার-প্রচারণায় পুলিশ বা সরকারি দল কোনোরকম বাধা দিচ্ছে না। দলীয় প্রার্থীর প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তারা। তারা বলেন, ‘দুটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। আমরা মনে করি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা জয়ী হব।’ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমি দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করিনি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি জয়ের প্রত্যাশা করি।’

পাথরঘাটা পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখায় জনগণ নৌকাকেই বিজয়ী করবে।’ সেখানকার বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট হালিম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোট দেওয়ার মতো অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এমন অবস্থা বজায় থাকলে ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক ভোটার উপস্থিত হবেন। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট হলে আমরা বিজয়ী হব।’ পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুন্সি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘জনগণের ভোটে প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না। দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। আশা করছি আমরাই জয়ী হব।’

সর্বশেষ