৯ই জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম।। বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক পর্যায়ের সব বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা বরিশাল সিটিতে নৌকা বিজয়ের লক্ষে ১৪ দলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর মঠবাড়িয়া পৌর নির্বাচন : কে হবেন নৌকার মাঝি! ১০টি স্মার্ট ফোন উদ্ধার করেছে ভোলা গোয়েন্দা পুলিশ পবিপ্রবিতে এনবিএ-র নতুন কমিটি গঠন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন : নৌকার সমর্থেন বানারীপাড়া আ.লীগ নেতৃবৃন্দের গণসংযোগ আমি সর্বাত্তকভাবে চেষ্টা করবো নগরবাসীর প্রয়োজনে কাজ করার : খোকন সেরনিয়াবাত ভোলার গ্যাস বরিশালে আনাসহ ১৭ দফা ইশতেহার হাতপাখার প্রার্থীর পটুয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করল বিএনপি

বরিশালে গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের ৫৩ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে গ্রামীণ ব্যাংক-এর রায়পাশা শাখার গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক ১৪টি মামলায় শাখা ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হাসানকে বিভিন্ন মেয়াদে ৫৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার সহযোগী শাখা কর্মকর্তা শাহ আলমকে ২৭ বছরের কারাদন্ড ও ২৭ লাখ টাকা অর্থদন্ড এবং কেন্দ্র ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম খলিলকে ৩ বছরের কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় মামলার আসামী তৎকালিন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক রতন প্রভা হালদার, মনিরুল ইসলাম, কামরুন্নাহার, মনিরুজ্জামান, রিপন মিয়া ও ওমর ফারুককে বেকসুর খালাশ দেয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। দন্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হাসান যশোর ছাতিয়ানতলা এলাকার জয়নাল আবেদিন দফাদারের ছেলে। এছাড়া শাহ আলম বাগেরহাট শরনখোলা চালিতাবুনিয়া এলাকার হাতেম আলী পাহলানের ছেলে ও ইব্রাহিম খলিল পিরোজপুর নেছারাবাদ আউরিয়া এলাকার মোকছেদ আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্তরা পলাতক থাকলেও খালাশপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিল।

২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে ২০১১ সালের ৭ জুলাইয়ের মধ্যে দেলোয়ার হাসান গ্রামীন ব্যাংক বরিশাল রায়পাশা শাখার ব্যবস্থাপক থাকাকালীন সময় শাখা কর্মকর্তা শাহ আলমসহ অন্যান্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপকদের পরস্পর যোগসাজসে ঋণ দেয়ার কথা বলে ও তাদের ভ‚য়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ১৫৪ জন গ্রাহকের ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৬৫০ টাকা আত্মসাত করেন। এঘটনায় ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা অফিসের সহকারি পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী পৃথক মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ১৪ জুন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মতিউর রহমান চার্জশীট জমা দেন।
আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পৃথক ১৪টি মামলায় অভিযুক্তদের দোষি সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষনা করেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ