২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ রাঙাবালীতে ইয়াবাসহ আটক-১ ঝালকাঠিতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে আমতলীতে গরমে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে নারীর মৃত্যু বরিশালে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবি রাজাপুরে শিক্ষার্থীদের অনুদানের বরাদ্দ ৫ হাজার, কিন্তু পেয়েছে ৩ হাজার! বরিশালে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি থাকায় বেড়েছে শিশু শ্রমের হার নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ সিরাজগঞ্জে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ প্রদান ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ শিক্ষার্থীরা পেল ৩ হাজার রাজাপুরের সোনারগাঁও স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বি...

বরিশালে গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপকের ৫৩ বছরের কারাদণ্ড

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশালে গ্রামীণ ব্যাংক-এর রায়পাশা শাখার গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক ১৪টি মামলায় শাখা ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হাসানকে বিভিন্ন মেয়াদে ৫৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার সহযোগী শাখা কর্মকর্তা শাহ আলমকে ২৭ বছরের কারাদন্ড ও ২৭ লাখ টাকা অর্থদন্ড এবং কেন্দ্র ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম খলিলকে ৩ বছরের কারাদন্ড ও ৩ লাখ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় মামলার আসামী তৎকালিন কেন্দ্র ব্যবস্থাপক রতন প্রভা হালদার, মনিরুল ইসলাম, কামরুন্নাহার, মনিরুজ্জামান, রিপন মিয়া ও ওমর ফারুককে বেকসুর খালাশ দেয়া হয়েছে।

বরিশাল বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। দন্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হাসান যশোর ছাতিয়ানতলা এলাকার জয়নাল আবেদিন দফাদারের ছেলে। এছাড়া শাহ আলম বাগেরহাট শরনখোলা চালিতাবুনিয়া এলাকার হাতেম আলী পাহলানের ছেলে ও ইব্রাহিম খলিল পিরোজপুর নেছারাবাদ আউরিয়া এলাকার মোকছেদ আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্তরা পলাতক থাকলেও খালাশপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিল।

২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল থেকে ২০১১ সালের ৭ জুলাইয়ের মধ্যে দেলোয়ার হাসান গ্রামীন ব্যাংক বরিশাল রায়পাশা শাখার ব্যবস্থাপক থাকাকালীন সময় শাখা কর্মকর্তা শাহ আলমসহ অন্যান্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপকদের পরস্পর যোগসাজসে ঋণ দেয়ার কথা বলে ও তাদের ভ‚য়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ১৫৪ জন গ্রাহকের ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৬৫০ টাকা আত্মসাত করেন। এঘটনায় ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা অফিসের সহকারি পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী পৃথক মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ১৪ জুন মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিচালক মতিউর রহমান চার্জশীট জমা দেন।
আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পৃথক ১৪টি মামলায় অভিযুক্তদের দোষি সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষনা করেন।

সর্বশেষ