১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বরিশালে দুলাভাইয়ের লালসায় শ্যালিকা অন্তঃসত্বা !

রাসেল কবির : বরিশাল জেলার কাজীরহাট থানাধীন বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রতনপুর গ্রামের আঃ ছালাম হাওলাদারের কন্যা রোকসানার সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেন মোহরানা বিবাহ হয়। মুলাদী উপজেলার কাজীরচর ইউনিয়নের বাইদার কান্দি গ্রামের মৃত খলিল হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদারের সাথে প্রায় ৮ মাস পূর্বে।
অভিযোগ উঠেছে ৮ মাস পূর্বে রোকসানা কে বিবাহ করলেও অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে রোকসানার ছোট বোন কাজীরচর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনী পড়–য়া শিক্ষার্থী ফারজানা। এ ঘটনা এলাকায় প্রকাশ হলে স্থাণীয়দের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা গেছে।
স্থাণীয় সূএে জানায়, কয়েক মাস পূর্বে ফারজানা বাবার বাড়ি থেকে চলে যায় দুলাভাই জুয়েল হাওলাদারের কাছে ১৫ দিন থাকার পর পশ্চিম রতনপুর গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ডের মাইদুল খাঁেনর মধ্যস্থতায় ফিরে আসে ফারজানা তার বাবা বাড়ি। দুলাভাইয়ের টানে ফের চলে যায় ২০ দিন অতিবাহীত হলেও সমাধান মেলেনি। অতঃপর মাইদুল খানঁ সপ্তাহ খানেক পূর্বে মেয়ের বাবার নিকট হতে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে বড় মেয়ে রোকসানা কে ফেরৎ দিলেও ছোট মেয়ে কে বাল্য বিবাহ পড়িয়ে দেয় প্যাদারহাট কাজীরচর ইউনিয়নের কাজী নুর হোসেনের মাধ্যমে ও বলে জানাগেছে।
সূএে জানায়, ইসলাম ধর্ম অনুসারে ১ম বিবাহ বিচ্ছেদ হলে ৪০ দিন পর বিবাহ করার আদেশ রয়েছে কিন্তু ৭ দিনের মধ্যে বিবাহ অতঃপর বাল্য বিবাহ এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের মাঝে। এ ধরনের জঘন্য কাজের অপরাধ সমাজ কে না বলুন। মধ্যস্থ মাইদুল খানঁ ও দূ:চরিত্র জুয়েল হাওলাদার কে আইনের আওতায় আনার মাধ্যমে কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ