১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সপরিবারে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ঐতিহ্যবাহী এ.কে স্কুলের প্রধান শিক্ষক চরমোনাই পীর, ভিপি নুর ও ড.কামালকে দালাল হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার চরফ্যাসনে আলোকিত সকাল পত্রিকার ৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের অর্ধ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত চরফ্যাসনে আলোকিত সকাল পত্রিকার ৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন খুলনার তরুণীকে কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে আটকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১ শেখ রাসেল দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাবুগঞ্জে প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে খাদ্য দিবস উপলক্ষে অলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সারাদেশে আরও ১৮৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি কোরআন সম্পর্কে অশালীন ও কুৎসিত পোষ্টঃ গৌরনদীতে ‘মহানন্দ বাড়ৈ’ আটক

বরিশালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে দ্রুত সুস্থ্য হলেন করোনাআক্রান্ত রোগী

বরিশাল বাণী।। বরিশালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে দ্রুত সুস্থতা লাভ করেছেন করোনাআক্রান্ত এক রোগী। চিকিৎসা নেয়ার দেড়মাস পরেও তার শরীরে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেয়নি। খুব অল্প সময়ে ওই রোগী সুস্থ হয়েছেন । সাকিয়া সুলতানা নামের ওই রোগী এই প্রতিবেদককে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৬ মার্চ আমার সমস্ত শরীরে ব্যাথা আসে, সঙ্গে জ্বর, কাশি ও সর্দি ছিলো। দেরি না করে নগরীর পুরান পাড়া কোহিনুর হোমিও হেলথ সেন্টারে যোগাযোগ করি। সেখান থেকে আমাকে ওষুধ দেয়া হয়। ওষুধ খাওয়ার পর জ্বর অনেকটাই কমে যায়, শরীরে কিছুটা দুর্বলতা থাকে। ১৮ মার্চ বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে পরীক্ষা করার পর আমার করোনা পজেটিভ আসে। এর পর থেকে আমি নিয়মিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিতে থাকি। ধীরে ধীরে আমি সুস্থ হয়ে উঠি, সেই থেকে আমি ভালো আছি। এরই মধ্যে আমার হাজবেন্ড করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। আমিও চট্টগ্রাম চলে আসি। পরে তিনি সুস্থ হয়ে বাসায় আসলেও ডায়াবেটিস বেড়ে যায়। তার সেবা, পাশাপাশি সাংসারিক কাজকর্ম করেও ভালোই আছি…আলহামদুলিল্লাহ।

সাকিয়া সুলতানা আরো বলেন, অনেকেই আমাকে হোমিওপ্যাথির বাইরে অন্য ওষুধ সেবন করতে বলেছিলেন। কিন্তু আমি তা করিনি, হোমিওপ্যাথির ওপর আমার যথেষ্ট আস্থা আছে। এর আগেও আমি হোমিওপ্যাথি মেডিসিন সেবন করে ভালো ফল পেয়েছি। এবারও করোনা থেকে সুস্থ হলাম এবং খুব কম সময় ও কম কষ্টে।

এ বিষয়ে কোহিনুর হোমিও হেলথ সেন্টারের স্বত্বাধিকারী জাকিরুল আহসান বলেন, তিনি যোগাযোগ করার পর আমি লক্ষণ অনুযায়ী এক ডোজ ওষুধ দিয়ে আমাদের টিম লিডার ডাক্তার মোর্শেদুল ইসলামের সঙ্গে পরামর্শ করি। তার নির্দেশনা অনুযায়ী এই রোগীর চিকিৎসা চলে এবং কিছুদিনের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এছাড়া আরও কয়েকজন রোগী করোনা উপসর্গ নিয়ে আমাদের টিমের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে ভালো আছেন।

মোর্শেদ হোমিও ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই মহামারী হোক আর অতিমারী-ই হোক চিকিৎসায় কোন সমস্যা নেই। লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করলেই রোগী সুস্থ হবে। যে ওষুধ প্রায় সোয়া দুই’শ বছর আগে মানবদেহের ওপর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে, সেই ওষুধ এখনও কার্যকরী। মূলত রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ এটাই হোমিওপ্যাথির দর্শন। সুতরাং করোনা আক্রান্তদের শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ আসে, সে অনুযায়ী চিকিৎসা করতে পারলে সফলতা আসবেই।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ