২০শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত দুমকি প্রেসক্লাবের ২৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা অনুষ্ঠান কাউখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ভোলায় শ্রেষ্ঠ ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা হলেন‌ মো: ইদ্রিস মঠবাড়িয়ায় বাস চাঁপায় নিহত-১, আহত-২llচালক ও হেলপার আটক কাউখালীর ভূমি অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তা জেলার শ্রেষ্ঠ তথ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সাথে বরিশাল প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদের মতবিনিময় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টা করলেন চেয়ারম্যান বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী! মাদারীপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মৌলিক প্রশিক্ষণ রাতে উড়ে গলাচিপা ভূমি অফিসে জাতীয় পতাকা

বরিশালে ১০ লাখ টাকা আত্মসাত: বিআইডব্লিউটিএর সিবিএ নেতার জেল

আইন-আদালত।।
জমি লিজ দেওয়ার কথা বলে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নিম্নমান সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর মো. জাকির হোসেনকে ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি স্থানীয় বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) সাধারণ সম্পাদক।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. শিবলী নোমান খানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশও দিয়েছেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ-সহকারী মো. রাসেল সিকদার।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল মেরিন ওয়ার্কশপ মাঠ থেকে ৭ শতাংশ জমি লিজ দেওয়ার কথা বলে আসামি মো. জাকির হোসেন নগরীর বন্দর রোডের সিরাজ মল্লিকের ছেলে রুবেলের কাছ থেকে ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর ওই জমি লিজ এনে দিতে না পারায় রুবেল টাকা ফেরত চাইলে তিনি টালবাহানা শুরু করেন।

পরে জাকির হোসেন ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পূবালী ব্যাংক, হাসপাতাল রোড শাখার অনুকূলে ১০ লাখ টাকার একটি চেক রুবেলকে দেন। একই বছর ৪ অক্টোবর চেকটি পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা না থাকায় ডিজঅনার হয়। বিষয়টি জানিয়ে আসামি জাকির হোসেনকে ওই বছর ২৮ অক্টোবর লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ দেওয়ার পরও আসামি টাকা ফেরত না দেওয়ায় ২০২১ সালে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে রুবেল বাদী হয়ে মামলা করেন।

এ ব্যাপারে বন্দর কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে রায় প্রকাশ হলে সরকারি বিধান অনুযায়ী চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত (চাকরি হারাবেন) হবেন।

এদিকে জাকির হোসেনের মতো বিআইডব্লিউটিএ’র অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন যারা বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। অথচ কোনো ডকুমেন্ট দেননি। চাঁদমারী খেয়াঘাট থেকে শুরু করে নগরীর পোর্ট রোড পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা ও মাসোয়ারা তোলেন তারা। লঞ্চঘাটা, চরকাউয়া খেয়াঘাট, কাঁচাবাজারে ব্যাপক হারে চাঁদাবাজী করেন এসব ব্যক্তি। এছাড়া লঞ্চঘাটে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্যও দিতে হয় চাঁদা। বিষয়টি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ