৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত  বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার দৌলতখানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড বেতাগীতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক না ফেরার দেশে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজি নাসির উদ্দিন বাবুল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে, স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে- চীফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য শুটকি উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের আলোচনা উজিরপুরে ৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

বরিশালে ৫ অবৈধ নৌযানকে জরিমানা

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

শামীম আহমেদ :: বরিশাল কীর্তনখোলা নদীতে কোষ্টগার্ড, র‌্যাব ও নৌ-পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় অবৈধ নৌযানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে নৌ-পরিবহন অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

আজ (১৪ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকাল থেকে এ অভিযানে ৫টি অবৈধ স্পিডবোট চালককে আটক করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটনের নেতৃত্বে কীর্তনখোলা নদীর ডিসি ঘাট, চর কাউয়া খেয়া ঘাটসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান চালিয়েছে তারা। অভিযানের পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে লাইসেন্স, সনদ ও জীবনরক্ষা সামগ্রী না থাকার অপরাধে এ সময় জরিমানা করা হয়।

অভিযান চলাকালে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চীফ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুর রহমান জানান, নৌ-নিরাপাত্তা ও যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় । অবৈধ নৌযান চলাচল বন্ধ করার জন্য সঠিক পথে সঠিক নৌযান চলাচলের জন্য এই অভিযান। সকাল থেকে ৫টি অবৈধ স্পিডবোট আটক করা হয়েছে। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। আটককৃত স্পিডবোট গুলোর চালকরা হলেন, রুবেল,জুয়েল, ইয়ামীন, মিরাজ ও রুবেল।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর উপ-সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটন বলেন, আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করেছি। এখানে আমরা ৫টি অবৈধ স্পিডবোট আটক করেছি।

এছাড়া ড্রেজার, বালুবাহী বালহেন্ড, যাত্রীবাহী নৌযানে অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা যে বিষয়টি দেখেছি, অনেকেরই সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন নেই। অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল আইন ১৯৭৬ এর ৩৩ ধারায় বলা আছে সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন বিহীন নৌচলাচল নিষিদ্ধ।

এখানে কারো কাছেই সার্ভে এবং রেজিস্ট্রেশন নেই। সেই সাথে ৫৬ ধারায় বলা আছে জীবন রক্ষা সামগ্রী যেমন লাইফ বয়া, লাইফ জ্যাকেট, অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র থাকতে হবে। এগুলোও আমরা পাইনি।

বদরুল হাসান লিটন বলেন- মাস্টার, ড্রাইভার, সুকানি যারা আছেন তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে সনদ থাকার কথা সেটিও অনেকর কাছে ছিল না। যা নৌ নিরাপত্তা আইনের ৬৬ ধারায় পড়েছে। এগুলো না থাকার কারণে দুর্ঘটনা গুলো ঘটে থাকে। লাইসেন্স, সনদ ও জীবনরক্ষা সামগ্রী না থাকায় ৫টি নৌযানের বিরুদ্ধে আইসিও ১৯৭৬ এর ৩৩,৫৬ ও ৬৬ ধারায় জরিমানা করা হয়েছে । এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেন তিনি।

সর্বশেষ