১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চাল-চুলা নিভু নিভু ! হতাশায় হাজারো জেলে পরিবার জনবিরোধী বাজেট ঈদের আনন্দ ধ্বংস করেছে : নতুনধারা ঈদের নামাজের গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা ঘুমের মধ্যে স্ট্রোক করে তরুণ সাংবাদিকের মৃত্যু! বরিশালের বিমান বন্দরে পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবককে মারধর।। শেবাচিম হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বৃক্ষ রোপন ও চারা বিতরণীর কর্মসূচী উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক মুলাদীতে ডোবা থেকে ছাগল ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার গৌরনদীতে চাঁদা না পেয়ে আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, ব্যবসায়ী আহত ৩ হাজার নেতাকর্মীদের আপ্যায়ন করালেন প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান

বরিশাল দিয়ারা সেটেলমেন্ট চার্জ অফিসারের নামে চরফ্যাশনে চাঁদাবাজি!

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশালঃ বরিশাল হাতেম আলী সরকারি কলেজ সংলগ্ন ‘দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিসের’ চার্জ অফিসার মোঃ সিরাজুল ইসলামের নামে
চলমান বিডিএস ডিজিটাল জরিপের ৩১ ধারায় চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগন্জ ইউনিয়নের চরফকিরা মৌজার ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি করেছে স্হানীয় চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও দালালেরা।
ফলে মোটা অংকের উৎকোচ না দিতে পারায় অনেক জমির প্রকৃত মালিকগণ ও জমির রেকর্ড বাদ পড়েছেন।

সরেজমিনে ঘুরে ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগন্জ ইউনিয়নের চরফকিরা মৌজার ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের ডিজিটাল জরিপের ৩১ ধারার শুনানি হচ্ছে বরিশাল দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিসে। মামলার বাদী ও বিবাবী শুনানি করে এলাকায় চলে আসার পর স্হানীয় দালাল বশির উল্ল্যাহ ও কামাল মহাজনসহ সংঘবদ্ধ চক্রটি মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে জমির রেকর্ড পাওয়ার ব্যবস্হা করিয়ে দেন। কে প্রকৃত মালিক, কে ভূয়া তা দেখার বিষয় নয়। প্রকৃত জমির মালিক ও ওদেরকে টাকা না দিলে রেকর্ড থেকে বাদ পড়ে।

সংঘবদ্ধ দালাল গ্রুপটি বরিশালে আবাসিক হোটেল ভাড়া করে সেটেলমেন্টে নিয়মিত দালালী করে যাচ্ছে। এদের আনাগোনা চার্জ অফিসারের টেবিলে রুটিন মাফিক চলে।

এদিকে জনৈক সেলিমগং ও রুহুল আমীন মাঝিগংদের ৩১ ধারার শুনানি শেষ হয়েছে গতমাসে। এখন ও রায় হয়নি। সেলিমগংদের দাবী দলিল মূলে, আর রুহুল আমীন মাঝিগং জাল দলিল রেকর্ড দাবী করেন।

চিহ্নিত সেটেলমেন্টের দালাল বশির উল্ল্যাহ এবং কামাল মহাজন রুহুল আমীন মাঝিগংদের কাছ থেকে জাল দলিলের অনুকূলে রেকর্ড করাতে ১ লাখ ২০ টাকা
নেন। কামাল মহাজন বশির উল্ল্যাহকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বাকী টাকা নিজে মেরে দেন। এতে ২ দালালের মধ্যে হাতাহাতির পর্যায়ে উপনীত হয়।
চেয়ারম্যান বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সফি আলম মাঝির দোকানে স্হানীয় ইসমাইল দফাদর, মাহাবুবসহ কয়েকজন মিলে দুই দালালের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে দেন। এর মধ্য দিয়ে বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিস তাদের দালালির বিষয়টি সচেতন মহল জানতে পারেন।

এ বিষয়ে বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসের চার্জ অফিসার সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিককে জানান, অফিসে কোন দালাল সনাক্ত করতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

সচেতন মহল বরিশাল সেটেলমেন্ট অফিসের চিহ্নিত দালাল বশির, কামাল মহাজনসহ ওই চক্রটি আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ