৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
দেশের বেষ্ট হসপিটালেটি এন্ড ট্যুরিজম লিডার হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ভোলার কৃতি সন্তান সাখাওয়াত ভোলায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো যুবকের বরিশালে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আ.লীগের শান্তি সমাবেশ মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বিএনপি আন্দোলন করছে : মঈন খান বরিশালে কোষ্টগার্ডের অভিযানে দুইদিনে ৭০ মন জাটকা জব্দ দূষণমুক্ত শিল্পকারখানা স্থাপন হবে আমাদের আগামী শিল্পবিপ্লব : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী পাথরঘাটায় দুই ট্রলারের ধাক্কায় বাবার সামনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ছেলে আগৈলঝাড়ায় স্কুলড্রেস কেনার জমানো টাকা ভেঙে ফেলায় কিশোরীর আত্মহত্যা এ সরকারের সময়ে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল : তোফায়েল এবার ববির খাবারে পাওয়া গেল সিগারেটের ফিল্টার!

বরিশাল নগরীতে চিহ্নিত অপরাধীরা এলেই ক্যামেরায় শনাক্ত

বাণী ডেস্ক।।
বরিশাল নগরীতে অপরাধীদের শনাক্ত করবে পুলিশের ক্যামেরা। নগরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি চালু করা হয়েছে ফেস ডিটেক্টর সফটওয়্যার। চিহ্নিত অপরাধীরা ক্যামেরার আওতায় আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা জানান দেবে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে।

বরিশাল নগরীর ২২৫টি পয়েন্টে সিসিটিভি, ৮টি ফেস ডিটেকশন ও ৩টি ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলের পিটিজেড ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এতে ২৪ ঘণ্টায় নজরদারিতে নগরী। ৯ সদস্যের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দিয়ে গঠন করা হয়েছে কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার।

অপরাধ দমন ও সংঘটিত ঘটনার তথ্য উদঘাটনসহ চিহ্নিত অপরাধী মহানগরীতে ঢুকলেই সংকেত আসছে পুলিশের এই দপ্তরে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. রাসেল জানান, আমাদের কন্ট্রোল সেন্টার প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশই ছিল বরিশাল নগরীকে নিরাপদ রাখা এবং অপরাধীদের গমনাগমনকে যাতে নিয়ন্ত্রণ করা। মূলত মানুষ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট, চুরি, ছিনতাই, সামাজিক অপরাধসহ নানা দুর্ঘটনা নাগরিকদের বিপাকে ফেলছে। এসব ঠেকাতেই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মাঠে নেমেছে নগর পুলিশ।

অপরাধ দমনে সুধী সমাজ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কারো ব্যক্তি স্বাধীনতা যেন ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বরিশাল সনাকের সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা।

এ বিষয়ে নগর পুলিশ বলছে, বরিশালে কেউ এখন আর অপরাধ করে পার পাবে না। অসংগতি যেখানেই ঘটুক, মুহূর্তেই সেখানে হাজির হবে পুলিশ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, এটার মাধ্যমে কিন্তু আমরা অপরাধীদের যেমন করে চিহ্নিত করে ধরতে পারি আবার অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে ডেটারেন্ট হিসেবে কাজ করে।

এরই মধ্যে এই প্রকল্পে ছিনতাইয়ের নাটক, চুরি, সড়ক দুর্ঘটনাসহ অর্ধ শতাধিক রহস্য উন্মোচন হয়েছে। অপরাধ দমনে ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে শিগগিরই আরও ৫০০ স্থান এমন প্রযুক্তির আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ