৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

বাকেরগঞ্জ দুর্গাপাশা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বাশার সিকদারের দূর্গ ভাঙ্গতে চলছে ষড়যন্ত্র

 বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি: বাকেরগঞ্জে নদী বেষ্টিত দুর্গাপাশা ইউনিয়নের জননন্দিত চেয়ারম্যান আবুল বাশার সিকদার পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে এলাকায় জনপ্রিয়তার দূর্গ গড়ে তুলছেন বহুদিন পূর্বেই। নিজে উপস্থিত থেকে এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজে জড়িয়ে পাল্টে দিয়েছেন এলাকার সার্বিক চিত্র। বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে সব চেয়ে দূর্গম ইউনিয়ন দূর্গাপাশার অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে তিনি রেখেছেন অফুরন্ত অবদান, তার একক প্রচেষ্টায় এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট, স্কুল, মাদ্রাসা ও সাইক্লোন শেল্টার। নদীর ভয়াবহতা থেকে ইউনিয়ন বাসীকে সুরক্ষা দিতে গড়েছেন দৈর্ঘ্য পাইলিং ও বাঁধ। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য গড়ছেন অসংখ্য পাকা ঘাটলা ও সানিটেশন ব্যবস্থা। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন তিনি। শুরু থেকেই লেগে থাকা প্রতিপক্ষের সরযন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বিগত পাচ বছরে সকল চক্রান্তের মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল সেবা গ্রামীন জনগোষ্ঠির কাছে পৌছে দিয়েছেন শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে। এছাড়াও অবহেলিত দূর্গাপাশা ইউনিয়নকে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। যে কারণে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে আবুল বাশার হয়ে উঠেছেন বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয়। এলাকাবাসী মনে করেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবুল বাশারের বিকল্প নেই, তাই তারা আবারও দূর্গাপাশার প্রতিনিধি হিসেবে তাকেই পূনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তার এই জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর প্রতিপক্ষ কোনো সূত্র খুঁজে না পেয়ে নেমে পরছেন জগন্য মনগড়া মিথ্যাচার ও কল্প কাহিনীতে, একই সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের ভুল তথ্য পরিবেশন করে লিপ্ত রয়েছেন চরম স্বরযন্ত্রে। তাদের সেই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তার অপূরণীয় ক্ষতি সাধনে সক্রিয় হয়েছেন কতিপয় বিপদগামী চক্র। তারাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে ভিতরের সংবাদ আড়াল করে সংবাদ প্রকাশ করেন। ৪০ দিনের কর্ম সিজন কাজের টাকা কাজ না করে লোপাট করার চেষ্টা করছে। এমন মন গড়া৷ বানোয়াট মিথ্যাচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাসার সিকদার এ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বিগত শুকনো মৌসুমে দু কিস্তিতে সরকারি ভাবে ৪০ দিনের কর্ম সিজন কাজের জন্য কিছু টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। যা প্রথম দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কালীন সময়ে বরাদ্দ আসায়, নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে উপজেলা পরিষদ বরাদ্দ টাকা যথাযথ সময়ে পৌঁছাতে পারেনি। পরবর্তীতে নির্বাচন শেষে টাকা হাতে এসে পৌঁছলে তড়িঘড়ি করে কিছু কাজ শুরু করি। এমন সময়ে বর্ষা মৌসুমে শুরু হলে, বর্ষা মৌসুমের কারনে পুরোপুরি কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। যে কারনে বাকি কাজের বরাদ্দ টাকা যথাযথ বিধি মেনে উপজেলা প্রশাসনের কাছে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখানে কোনো অনিয়ম দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। একইভাবে উপজেলার অনেক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ও বরাদ্দ টাকা ফেরত দিছে। কেউ কেউ অসৎ পন্থা অবলম্বন করে বরাদ্দ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ হয়নি। অথচ সৎ ভাবে দায়িত্ব পালন করে বরাদ্দ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে আমি ওদের চোখে অপরাধী হলাম। তিনি এ বিষয় সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এমন কুচক্রী মহলের অপপ্রচার থেকে সবাইকে সচেতন থাকতে আহবান জানান। তার এ সৎকর্ম বিষয় নিয়ে উপজেলার একাধিক আলীগ নেতা বলেন, বাশার নৌকার সম্মান রেখেছে এবং সে একজন আলীগের নিবেদিত নেতা হিসেবে নিজের বিচক্ষণতার প্রমান করছেন। ভবিষ্যতে ও সে দলের ও দেশের কল্যানে তিনি কাজ করবেন এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এতসত্বেও আবুল বাশার সিকদার জানান, “মানুষ ভুল ত্রুটির বাইরে নয়, বিগত দিনে আমি চেষ্টা করেছি মানুষের সেবা করতে। দল ও এলাকায় জনগণ চাইলে আমি আবারও দূর্গাপাশার মানুষের সেবা করতে চাই। আমার কোন ভুল থাকলে শুধরে নেয়ার সুযোগ দিন। আমার বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যা তথ্য প্রচার করা থেকে বিরাত থাকুন। আসুন দল ও দেশের স্বার্থে এলাকার উন্নয়নে অবদান রেখে সাধারণ মানুষের কল্যানে কিছু করি। ক্ষমতা আল্লাহর নেয়ামত তিনি তা যাকে ইচ্ছে দান করবেন। এ বিষয় নিয়ে আমি বিচলিত নয়। আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যাতে অমৃত্যু সুখে দুঃখে আপনাদের পাশে থেকে নিঃস্বার্থ ভাবে আপনাদের সেবা করে যেতে পারি। একইসাথে তিনি সকল স্বরযন্ত্র থেকে সবাই কে সচেতন থাকতে বলেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ