২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাঙ্গাবালীতে রাসাদ হত্যাকারীর ফাঁ*সির দাবিতে মানববন্ধন হেরাররশ্মি’র বার্ষিক শিক্ষাসফর ও শিল্পী সমাবেশ অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে মন্দিরে চুরি, পিতলের প্রতিমা ও স্বর্ণালংকার লুট নলছিটিতে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত ৩ নাজিরপুরে ভ্যান চালিয়ে বিএ পাশ করলেন হায়দার আলী তালতলীতে খালাকে হত্যার পর কানের রিং বিক্রি করে খুনিকে টাকা দেয় ভাগ্নে পটুয়াখালী পৌর নির্বাচনে প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় প্রার্থীরা বরিশালে বুফে রেস্তোরাঁয় আগুন, আহত বিএম কলেজের ছাত্রী বরিশালের বাজারে রমজানের আগেই বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম উজিরপুরে মাদ্রাসার পরিত্যক্ত ঘর থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধ’র মরদেহ উদ্ধার

ভোগান্তি লাঘবে নিজস্ব অর্থ-শ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করছে গ্রামবাসী

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

লিপন সরকার: একটি ব্রীজের অভাবে সিরাজগঞ্জে তাড়াশ উপজেলার একটি গ্রামের সাতটি পাড়ার জনসাধারণ পোহাচ্ছেন চরম দুর্ভোগ। এদিকে বর্সার পানি চলে আসায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে সেচ্ছায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। চলনবিল অধ্যাষিুত হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের পাশে তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া খানপাড়া গ্রামটিতে প্রায় ৫ হাজার কৃষক পরিবারের বসবাস। কিন্তু সড়কের সাথে গ্রামটির যোগাযোগ আটকে আছে একটি ব্রীজ না থাকার কারণে।

স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার ৪৯বছরেও হামকুড়িয়া গ্রামে একটি ব্রীজ হয়নি। তাই বছরের পর বছর গ্রামবাসী উদ্দ্যেগে নিজেদের অর্থে সাকো নিমার্ন করা হয়। হামকুড়িয়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক জহুরুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরী করা হলেও বৃদ্ধ, শিশু আর রোগী নিয়ে চলাচল খুবই ঝুকিপূর্ণ। নৌ পথে কৃষিপন্য পরিবহনেও রয়েছে নানা ভোগান্তি। এ বছরও নিজেদের অর্থে সেচ্ছাশ্রমে শাকো নির্মান করা হয়েছে। হামকুড়িয়া গ্রামটি গ্রামটি ৭টি পাড়া গঠিত। বর্ষা মৌসুমে এ গ্রামের মানুষ ঝুকি নিয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে নদী পার হচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে কৃষক, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীসহ গ্রামের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে নদী পার হয়। যদি কোনো শিশুর পা সাঁকো থেকে সরে যায় তাহলেই ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

এ বিষয়ে মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম আতিকুল ইসলাম বুলবুল জানান, দীর্ঘদিন যাবত ওই গ্রামের মানুষ বর্ষাকালে খুব কস্টে চলাফেরা করেন। এবছরও তারা সেচ্ছায় নিজেদের অর্থে শাকো তৈরি করেছেন।

সর্বশেষ