২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে ৩য় ব্যাচের ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে ৩য় ব্যাচের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১৩ অক্টোবর ২০২১ খ্রি. তারিখ বুধবার সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ৮৮ মতিঝিলস্থ স্বাধীনতা ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এসএম মাহবুবুর রহমান। উদ্বোধনী বক্তৃতায় প্রধান অতিথি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জ্ঞান, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীই পারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশীদার হতে। ট্রাস্টের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে এবং এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহতভাবে চালিয়ে গেলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে অংগীকার সরকারের রয়েছে তা শতভাগ সফল করা সম্ভব হবে।

ট্রাস্ট্রের সচিব (উপসচিব) তরফদার মোঃ আক্তার জামীল বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ মু্ক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের মধ্যে সম্পাদিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে প্রশিক্ষিত জনবল সৃষ্টির নিমিত্ত স্থায়ী প্রশিক্ষণ পুল গঠনের নির্দেশনা রয়েছে। সেলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে স্থায়ী প্রশিক্ষণ পুল গঠন করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ পুলের রিসোর্স পার্সনদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ অর্থ বছর ৫টি ব্যাচে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যেককে ৬০ ঘন্টা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে এ অর্থ বছর ১ম ব্যাচে ১৫ জন এবং ২য় ব্যাচে ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রত্যেককে ৬০ ঘন্টা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সংবিধিবদ্ধ এ সংস্থাটিতে দীর্ঘদিন কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়নি। ফলে চহিদা বিবেচনায় গত অর্থ বছর হতে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এতে অফিসের কাজের মান ও গতি বৃদ্ধি পাবে বলে ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ মনে করছেন।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ