২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাজাপুরে বন্দোবস্ত জমিতে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

রাজাপুর প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরের শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাকরাইল এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবার শিবু দাস ও গঙ্গা চরন দাসের বন্দোবস্ত জমিতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জোর পূর্বক ঘর উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোক্তভূগি শিবু দাস অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে প্রতিপক্ষ একই এলাকার হোসেন আলী খান ও মোয়াজ্জেম আলী খান জোর পূর্বক আমাদের এই বন্দোবস্ত সম্পত্তিতে ঘর উত্তোলন শুরু করে। তখন আমরা কাগজপত্র নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হইলে আদালতের আদেশে স্থানীয় প্রসাশনের মাধ্যমে সেখানে ঘর উত্তোলনের কার্যত্রুম বন্ধ করা হয়। কিন্তু প্রতিপক্ষরা এখন মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে অফিস আদালত বন্ধ থাকার সময়কে পুজিকরে আদালতের আদেশ অমান্য করে পুনরায় ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে। তখন আমি নিরুপায় হইয়া জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও ও থানা পুলিশ সরোজমিন পরিদর্শনে গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘর নির্মানের সামগ্রী ফেলে রেখে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষরা।পরবর্তিতে তাদের কাউকে না পেয়ে ইউএনও ও থানা পুলিশ দুটি লোহার দরজা ও কিছু নির্মান সামগ্রী জব্দ করে। পরবর্তীতে ইউএনও’র নির্দেশে সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ করতে সরোজমিনে গেলেও সাথে পুলিশ না থাকায় পরিমাপ না করেই সে চলে আসে। পরবর্তিতে প্রতিপক্ষ পুনরায় ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে। আমি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে তারা আমায় ইউএনও স্যারের কাছে যেতে বলে। উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে জমির কাগজ পত্রের বিশ্লেষনে আমি যাহাতে সঠিক বিচার পেতে পারি তাই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু দৃস্টি কামনা করছেন ভোক্তভূগি শিবু দাস।
এ বিষয়ে ইউএনও মো: সোহাগ হাওলাদার বলেন, তদন্তকারী পুলিশের এসআই বিবাদী পক্ষের আধাপাকা বিল্ডিং এর কিছু নিমান সামগ্রী জব্দ করে। সে দূর্ঘটনা জনিত কারনে অসুস্থ থাকায় সার্ভেয়ারকে একটি চিটা নকশা করে ওসি সাহেবের কাছে দেয়ার কথা বলেছি। শিবু দাস এখানে সরকারি জমি বন্দোবস্ত পেয়েছিলো আজ থেকে ৪০-৫০ বছর আগে। বর্তমানে বিএস জরিপে তাদের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। ওখানে দুটি মৌজার মিলন স্থল তাই মৌজা সিমানা নির্ধারন করতে পারলে শিবু দাসের জমি নির্নয় করা যাবে। আমি সার্ভেয়ার সাহেবকে ঐ জমির সিমানা নির্ধারন করার জন্যও বলেছি।
এ বিষয়ে সার্ভেয়ার মো: রফিক বলেন, ওখানে আমার কোনো দ্বায়িত্ব ছিলোনা। আমি পুলিশকে সাহায্য করতে সরোজমিনে গিয়েছিলাম কিন্তু ওখানে সেদিন পুলিশ উপস্থিত ছিলোনা। আমাকে মৌখিক ভাবে পাঠাইছে ইউএনও স্যার আমি মৌখিক ভাবেই গেছি। আমরা ওখানে একটি সিমানা রাইখা আসছি এবং তাদের কে দেখে রাখতে বলেছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো: হোসেন আলী খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মুখের কথা কাগজের সাথে মিল হবেনা। আপনারা তাদের কথা প্রকাশ করেন আমরা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দিবো।

সর্বশেষ