১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপঃ কুয়াকাটা সৈকত থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান চর জহিরুদ্দিনের মোশাররফ হোসেন কাশেমকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন বরিশালে বৃষ্টি-জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকা ! বরিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃ্দ্ধকে মারধর, শেবাচিমে ভর্তি ! রাঙ্গাবালীতে তেল সারের মূল্যবৃদ্ধিতে কৃষকের গলার কাঁটা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আশ্রয়নের ঘরে থাকছে না বেশিরভাগ সুবিধাভোগীরা, ঝুলছে তালা মনপুরায় লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জ্যো’র প্রভাবে মেঘনার জোয়ারে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত মনপুরায় লঘুচাপ ও পূর্ণিমার জ্যো’র প্রভাবে মেঘনার জোয়ারে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আশ্রয়নের ঘরে থাকছে না বেশিরভাগ সুবিধাভোগীরা, ঝুলছে তালা ঝালকাঠিতে অগ্নিদগ্ধ লঞ্চ এমভি অভিযান-১০ মালিককে ফেরত

শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে মৃত্যু শূন্যের কোটায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) করোনা ওয়ার্ডে রোগী মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যতে নেমেছে। এতে দীর্ঘ সাড়ে ৩ মাস পর স্বস্তি ফিরেছে এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে। এতে খুশি চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

তবে শনিবারও করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৭৬ জন। এদিকে, মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্তের হার গত কয়েক দিন ধরে ১০ শতাংশ থেকে কিছুটা ওঠানামা করছে।

মেডিকেলের পরিচালক কার্যালয় থেকে জানা গেছে, শুক্রবার শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৭৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন। একই সময়ে নানা উপসর্গ নিয়ে ৮ জন রোগী করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন।

বিগত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোনও রোগী মারা যায়নি। গত ঈদুল ফিতরের পরদিন ১৫ মে রোগী মৃত্যু শূন্য ছিল শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে। ১৬ মে থেকে মৃত্যু সংখ্যা বাড়তে থাকে। এরপর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ২৩ রোগীর মৃত্যু হয়েছিল শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে। এক কথায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ড। ৩শ’ শয্যার করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন সর্বাধিক ৩৫৩ জন রোগী।

সাড়ে ৩ মাস পর শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন ৭৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন করোনা শেবাচিমের ওয়ার্ডে। এদিকে, মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যবে গত শুক্রবার রাতে সব শেষ রিপোর্টে ১৯২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। শনাক্তের হার ১৪ ভাগ।

এর আগে বৃহস্পতিবারের রিপোর্টে ১১.২৯ ভাগ, বুধবার ৯.৮৮ ভাগ, মঙ্গলবার ১২.১৪ ভাগ, সোমবার ১১.১৭ ভাগ, রবিবার ১৪.২৮ ভাগ, শনিবার ১৭.৮৫ ভাগ এবং শুক্রবার ২০.৭০ ভাগ করোনা শনাক্ত হয়। গত বছরের ৮ এপ্রিল মেডিকেল কলেজে পিসিআর ল্যাব চালুর পর গত ৫ জুলাই সর্বাধিক ৭৩.৯৪ ভাগ করোনা শনাক্ত হয়।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ