১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সবকিছুর জন্য প্রস্তুত মোসাদ্দেক

একের পর এক ইনজুরিতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ক্রিকেট ক্যারিয়ার উথাল-পাথাল। দলে নিয়মিত হতেই পারছেন না। লম্বা এক সময় চোখের সমস্যাতে ছিলেন মাঠের বাইরে। সব শেষ ২০১৯ এ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছেন। সে বছরই শ্রীলঙ্কায় খেলে ছিলেন শেষ ওয়ানডে। এরপর এ বছর তার সুযোগ হয় নিউজিল্যান্ড সফরে। কিন্তু সেখানে অনুশীলনে ফুটবল খেলতে গিয়ে ফের ইনজুরিতে পড়ে খেলা হয়নি এক ম্যাচও। তবে এখন তিনি ইনজুরি মুক্ত।ডাক পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য ঘোষিত ২৩ সদস্যের প্রাথমিক দলে। গেল দুইদিন অনুশীলন করেছেন দলের সঙ্গে। জানিয়েছেন এখন আগের চেয়ে বেশ ভালো। প্রস্তুত আছেন লঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামতেও। তিনি বলেন, ‘ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার পর আমি ২-৩ দিন অনুশীলন করার সুযোগ পেয়েছি। এখানে আসার পরও দুইদিন অনুশীলন করলাম। অনেক ভালো অনুভব করতেছি। পায়ের যে অবস্থা ছিল সেখান থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং ও জিমও করলাম, কোনো কিছুতেই সমস্যা মনে হচ্ছে না।’ এ মাসেই বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলঙ্কা। জানা গেছে, ১৬ই মে তারা ঢাকা পা রাখবে। সেই মাসেই ২৩, ২৫ ও ২৭ তারিখ খেলবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই সিরিজকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। গত রোববার থেকে মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে অনুশীলন শুরু করেছে প্রাথমিক দলের বেশ কয়েকজন। প্রথম দিনের মতো গতকালও উপস্থিত ছিলেন ৬ ক্রিকেটার। এ ছাড়াও প্রাথমিক দলে থাকলেও অনুশীলনে ছিলেন পেসার আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান রানা। তাদেরকে নিয়ে কাজ করছেন দেশে কোচ মিজানুর রহমান বাবুল। ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরা মোসাদ্দেককে দেখা গেছে ঘাম ঝরাতে। এবার দারুণ আত্মবিশ্বাসী তিনি খেলতে। মোসাদ্দেক বলেন, ‘অবশ্যই আগের থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। কারণ এখন আমি যখন ব্যাটিং, বোলিং করতেছি আমার মনে হচ্ছে আগের চেয়ে ভালো শেপে আছি। এ জায়গা থেকে বলবো যে আমি আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দলের যে অবস্থা, সবাই দেখেতেছে যে আমরা একটা খারাপ সময় পার করছি। আমরা আশা করি যে খুব তাড়াতাড়ি এটা ওভারকাম করবো, দল খুব ভালোভাবে কামব্যাক করবে ইনশাআল্লাহ।’ অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা সফর শেষ হলেই ৩১শে মে থেকে মাঠে গড়ানোর কথা ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের।  গতকাল সাড়ে ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে বিসিবি। ঢাকা লীগ হবে এমনটা শুনে ক্রিকেটাররাও বেশ খুশি। এ বিষয়ে মোসাদ্দেক বলেন, ‘আমি মনে করি এটা অনেক বড় একটা উদ্যোগ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে আমি ধন্যবাদ জানাই এত বড় একটা উদ্যোগ নেয়ার জন্য। আসলে ডিপিএল যখন আমরা খেলি তখন এখানে প্রায় ২০০ জন ক্রিকেটার খেলে। বেশির ভাগ ক্রিকেটারের রুটি-রুজিই এটা, আমরা বেশির ভাগই এটা দিয়ে চলি। ডিপিএলটা গত বছর হয়নি, এবার যখন হচ্ছে আমি মনে করি খেলোয়াড়রা অনেক বেশি বেনিফিটেড হবে। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, সেক্ষেত্রে এটা অনেক বড় উদ্যোগ যে আমরা ডিপিএলটা টি-টোয়েন্টি ফরমেটে খেলবো এবং সেটা সামনে বিশ্বকাপে আমাদের খুব সাহায্য করবে।’

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ