৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত  বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার দৌলতখানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড বেতাগীতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক না ফেরার দেশে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজি নাসির উদ্দিন বাবুল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে, স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে- চীফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য শুটকি উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের আলোচনা উজিরপুরে ৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

সুশান্তকে খুন করা হয়েছে, মুখ খুললেন পায়েল

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু কীভাবে হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন প্রায় গোটা ভারতের মানুষ। সুশান্তের মৃত্যুর পর এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী পায়েল রোহতগি। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেন পায়েল। যেখানে তিনি অভিযোগ করেন, সুশান্ত সিং রাজপুতের মনোবিদ ডক্টর কেশরি চাভড়ার বিরুদ্ধে।

পায়েল অভিযোগ করেন, সুশান্ত সিং রাজপুতের চিকিৎসা যিনি করছিলেন, সেই কেশরি চাভড়ার ওষুধ খেয়ে সুশান্ত আরও বেশি করে অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়ছিলেন। শুধু তাই নয়, কেশরি চাভড়ার সঙ্গে মহেশ ভাট এবং দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন পায়েল। এসবের পশাপাশি পায়েল আরও দাবি করেন, সুশান্ত আত্মহত্যা করেননি। পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়ছে।
তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও পায়েল এর আগে আরও দাবি করেন, মহেশ ভাট-ই নাকি রিয়া চক্রবর্তীর মাধ্যমে সুশান্তকে চিকিতসকের কাছে পাঠান। মহেশ ভাটের কথা মতোই সুশান্তকে চিকিতসকের কাছে নিয়ে গিয়ে রিয়া ওষুধ খাওয়াচ্ছিলেন বলেও দাবি করেন পায়েল রোহতগি।

গোটা ভারত যখন করোনা নিয়ে দুশ্চিন্তায়, হঠাতই বলিউডের ওপরে যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। আত্মহত্যা করলেন বলিউডের নতুন প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ সুশান্ত সিং রাজপুত। রবিবার মুম্বাইয়ের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত লাশ। বাড়িতে থাকা কাগজপত্র থেকে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তিনি।

১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারি পটনায় জন্মগ্রহণ করেন সুশান্ত সিংহ রাজপুত। পরবর্তীকালে দিল্লিতে চলে আসে তাঁর পরিবার। দিল্লি কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও ভর্তি হন। কিন্তু সেইসময় থেকেই থিয়েটারের দিকে ঝোঁকেন তিনি। নাচও শেখেন। তার জন্য পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।

অভিনয়ের তাগিদ থেকেই শেষ মেশ মুম্বইয়ে চলে আসেন সুশান্ত। সেখানে ২০০৮ সালে প্রথম একতা কপূরের প্রযোজনায় ‘কিস দেশ মে হ্যাঁ মেরা দিল’ সিরিয়ালে অভিনয় করার সুযোগ পান। সিরিয়ালে অল্প দিনের মধ্যেই তাঁর চরিত্রটির মৃত্যু হয়।

তবে সেখান থেকেই একতা কাপুরের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তাঁর। সেই সূত্রেই ২০০৯ সালে ‘পবিত্র রিস্তা’ সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। তার পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।
সূত্র- কালের কন্ঠ

সর্বশেষ