৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত  বরিশালের জন্য নগদের ২০ লাখ টাকার পুরস্কার দৌলতখানে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড বেতাগীতে ঠিকাদারের গাফিলতিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতির মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক না ফেরার দেশে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজি নাসির উদ্দিন বাবুল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে, স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে- চীফ হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও রপ্তানিযোগ্য শুটকি উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ পবিপ্রবিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করতে প্রশাসনের সাথে শিক্ষার্থীদের আলোচনা উজিরপুরে ৫ কেজি গাজা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

৫০ হাজারে দফারফা হলো সরকারি কর্মকর্তাকে পেটানোর ঘটনা

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

স্টাফ রিপোর্টার ::: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিনকে মারধর করার ঘটনা ৫০ হাজার টাকায় দফারফা হয়ে গেছে। এরআগে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওই কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।

গতকাল সোমবার (০৪ডিসেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন। তখন তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২০ সালের একটি মামলা তুলে নেয়া জন্য কনকদিয়া ইউনিয়নের স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজের সামনে রবিবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথি মেরে এবং পিটিয়ে আহত করেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার।

এছাড়াও মারধরের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার বলেছিলেন, আনসার বিএনপির লোক তাই আমাকে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা আভিযোগ করেছন।

উপজেলা প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন খান ও নাজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের মাধ্যমে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চিকিৎসা খরচ বাবদ ৫০হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি দফারফা করেন। দফারফায় সিদ্ধান্ত হওয়ায় এবিষয়ে আনছার কোনো মামলা করবেন না।

দফারফার বিষয় জানতে চাইলে ভুক্তভোগী উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিন বলেন, তারা আমাদের ডিডি মহোদয়কে ফোন দিয়েছিলেন। শুনেছি ডিডি মহোদয় ডিসি স্যার ও ইউএনও স্যারকে বিষয়টা সমাধান করা দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা বিষয়টা সমাধান করছেন। আমিতো ডিপার্টমেন্টে চাকরি করি, একা মামলা করে তার কিছুই করতে পারবো না। ৫০হাজার টাকার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও শুনেছি, আমাকে ইউএনও স্যার ফোন দিয়ে বলেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বশির গাজী বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টা নিয়ে মামলা করতে চেয়েছে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তা নিজেই মামলা করতে আগ্রহী না। মামলা করতে তার বিভাগীয় ডিডির অনুমতি নিতে হবে, এসব নানা কারণে তিনি মামলা করেনি। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার তাকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। টাকার বিনিময়ে দফারফার বিষয় আমার জানা নেই।

 

সর্বশেষ