২৪শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ রাঙাবালীতে ইয়াবাসহ আটক-১ ঝালকাঠিতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে আমতলীতে গরমে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে নারীর মৃত্যু বরিশালে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধের দাবি রাজাপুরে শিক্ষার্থীদের অনুদানের বরাদ্দ ৫ হাজার, কিন্তু পেয়েছে ৩ হাজার! বরিশালে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি থাকায় বেড়েছে শিশু শ্রমের হার নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ সিরাজগঞ্জে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ প্রদান ৫ হাজার টাকা বরাদ্দ শিক্ষার্থীরা পেল ৩ হাজার রাজাপুরের সোনারগাঁও স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বি...

৫২ বছরেও জাতীয়করন হয়নি পটুয়াখালীর আবদুল করিম মৃধা কলেজ

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত পটুয়াখালী জেলা। এই অঞ্চলের শিক্ষার অগ্রসরের লক্ষ্যে স্থানীয় কিছু শিক্ষানুরাগী এবং সমাজসেবী মহান ব্যক্তিদের উদ্যোগে জাতীয়করন প্রস্তাবিত এই কলেজটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে কলেজটি পটুয়াখালী নাইট কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে কলেজটি পূর্নাঙ্গ দিবা ও নৈশ কলেজে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে তৎকালীন জেলা প্রশাসক, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী ও রাজনীতিবিদদের সহযোগিতার ফলে পটুয়াখালীর সমাজসেবী ও দানবীর মরহুম আবদুল করিম মৃধা সাহেবের আর্থিক সহায়তায় কলেজটি আবদুল করিম মৃধা কলেজ নামে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয় ভূমি মন্ত্রী শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি খাস জমি থেকে কলেজের বর্তমান জায়গাটি কলেজের নামে বরাদ্ধ দেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কলেজের সমগ্র শিক্ষক মন্ডলী অত্যন্ত যতœ ও দক্ষতা সহকারে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। এছাড়া গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ কতৃক এককালীন এক লক্ষ টাকা অনুদানের মাধ্যমে শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত ট্রাস্ট গঠিত হয়। ফলে প্রতিনিয়ত কলেজে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ফলাফল সর্বদা ঊর্ধ্বগামী ও উচ্চমান সম্পন্ন। কলেজটি ২০০১ সালে বাংলাদেশে শ্রেষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয় এবং তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পুরষ্কৃত হয়। শিক্ষার পাশাপাশি কলেজটিতে বার্ষিক ক্রীড়া, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সপ্তাহ পালিত হয়। বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আন্তঃবিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, রোভার স্কাউট, গার্লিন রোভার, যুব রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রম নিয়মিত চলছে। কলেজে আনন্দ শিল্পী গোষ্ঠী নামে একটি নিজস্ব সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী রয়েছে। বর্তমানে কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান এবং উচ্চ মাধ্যমিক বি. এম শাখা, স্নাতক শ্রেনীতে বিজ্ঞান, বি. বি. এস, কলা বিভাগ, সমাজকর্ম এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। ভূগোল, বাংলা ও হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স খোলা প্রকৃয়াধীন। জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রগ্রামে কলেজটি সক্রিয় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের অধিকারী হয়। এক কথায় কলেজটি জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। কলেজটি এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয়করন ঘোষণার অপেক্ষায়।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুস ছালাম জানান, পটুয়াখালী জেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র বেসরকারি স্নাতকোত্তর কলেজ আবদুল করিম মৃধা কলেজ। বর্তমানে কলেজটিতে ২৫ হাজারেরও অধিক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত। ১৯৯৬ সালে কলেজটি জাতীয়করনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। পরবর্তীতে ২০০১ সালে কলেজটি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে পুরস্কার প্রদান করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং ২০০১ সালে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্মাননা পুরস্কার প্রাপ্তি এবং এলাকার শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলেজটি জাতীয়করনের জন্য গণদাবীতে পরিনত হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরিপে আমাদের পক্ষে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। কলেজটি জাতীয়করনের ফাইল বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রয়েছে। আমার বিশ্বাস আমাদের প্রস্তাবটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এ কলেজটি জাতীয়করন ঘোষণা হবে।###

সর্বশেষ