৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রাঙ্গাবালীতে পুত্রবধু পেটালেন বৃদ্ধ শশুরকে বানারীপাড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ২মাদক কারবারি আটক বিয়ানীবাজারে নিখোঁজ সিয়ামের সন্ধান চেয়ে থানায় জিডি টেন্ডার ছাড়া মালামাল বিক্রির অভিযোগ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের উপর ঝালকাঠীতে ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় ১০ম শ্রেণী'র ছাত্র মনিরের আত্মহত্যা, স্কুলের অভিযোগ এনে মানববন্ধন প্রেমিককে নিয়ে নিজের ছেলেকে গাড়িচাপায় হত্যা করে নদীতে ফেলল মা! বানারীপাড়ায় স্কুল ছাত্র মনিরের আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক চাকরি দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ

৬ কোম্পানির শেয়ার এবং ১১ ব্রোকারেজ হাউজে দরপতন

অনলাইন ডেস্ক: পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের কারণ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

ছয়টি কোম্পানির শেয়ার রোববারের এই দরপতনে প্রভাব রেখেছে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো লেনদেন হয়েছে ১১টি ব্রোকারেজ হাউজে।

টানা অনেক দিন শ্লথ গতিতে চলা পুঁজিবাজার সম্প্রতি বেশ চাঙা হয়ে উঠেছিল। কিন্তু গত দুই সপ্তাহ ধরে আবার পতনের ধারা চললেও রোববার এক ধাক্কায় সূচক আড়াই শতাংশ কমে যায়।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ডিএসইএক্স ১৪৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫০৫ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি শেয়ারের মধ্যে ২২৪টিরই দাম কমে যায়।

বাংলাদেশ সিকিউরটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই দরপতন তাদের কাছে অস্বাভাবিক ঠেকছে।

“গত কয়েক দিনে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের যে ধারা ছিল তার একটু বাইরে ছিল এই পতন। তাই এর কারণ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।”

তিনি বলেন, “রোববার যে দরপতন হয়েছে, সেখানে ৬টি শেয়ারের বেশি অবদান ছিল। আর এই ৬টি শেয়ার ১১টি ব্রোকারেজ হাউজ থেকে বিক্রি করা হয়েছে।

“এই ১১টি ব্রোকারেজ হাউজ নিয়ম মেনে বিক্রি করেছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।”

বিএসইসি মুখপাত্র রেজাউল বলেন, “আর এখন থেকে আমরা পুঁজিবাজারে লেনদেন চলাকালীন আমাদের সার্ভিলেন্স আগের চেয়ে বাড়িয়ে দেব।”

গত দুই সপ্তাহে ডিএসইএক্স মোট ১৮৮ পয়েন্ট হারিয়েছে।

রোববার ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক ৪১৪ পয়েন্ট বা ২.৫৩ শতাংশ কমেছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে সূচক কমতে শুরু করে। সূচকে এই নিম্নগতি চলে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। একই ধারা ছিল সিএসইতেও।

ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে ২২৪টির দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৬টির।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে ১৫০টির দাম কমেছে, ২৭টির বেড়েছে এবং ৪৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ঢাকার বাজারে এদিন হাতবদল হয়েছে ৭৭১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, ‍যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫৮ কোটি টাকা বেশি।

চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেন ১১ কোটি টাকা বেড়ে ৪৪ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছে।

কোভিড-১৯ টিকার আমদানিকারক বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার এদিন বড় ধরনের দর হারিয়েছে। প্রায় ৮ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ হয়েছে ১৬৩ টাকা ৬০ পয়সায়।

বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ার ৯ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে লেনদেন শেষ করেছে ৭৫ টাকা ২০ পয়সায়।

বাজারের দর হারানোর তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেড এবং দশম স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।

দর হারানোর তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডগুলো হলো- সিএপিএমআইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, মীর আক্তার, এসপি সিরামিকস, অ্যাপোলো ইস্পাত, জিকিউ বলপেন, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, সাইফ পাওয়ার ও ফুয়াং সিরামিক।

বাজারে বড় ধরনের দরপতন হলেও বীমা খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দাম বেড়েছে।

দাম বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় রয়েছে- মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, প্রিমিয়ার ইন্সুরেন্স, মতিন স্পিনিং, তাকাফুল ইন্সুরেন্স, রিপাবলিক ইন্সুরেন্স, বিকনফার্মা, সোনার বাংলা ইস্সুরেন্স, প্রগতি ইন্সুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স ও ইসলামি ইন্সুরেন্স।

এদিন ঢাকার বাজারে লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, ব্রিটিশ অ্যামেরিকান ট্যোবাকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, রবি, বেক্সিমকো ফার্মা, মীর আক্তার, বিডি ফাইন্যান্স, লাফার্জ হোলসিম, সামিট পাওয়ার ও এনার্জিপ্যাক লিমিটেড।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email