১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

তুঘলকি কান্ডঃ আবেদন ছাড়াই সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ! ১৪ জনের স্থলে ৩২ জন

আযাদ আলাউদ্দীন, বিশেষ প্রতিবেদক: মো. গোলাম কিবরিয়া। ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নিন্মমান সহকারি/কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে সদ্য নিয়োগপত্রে তার পিতার নাম আব্দুর রউফ, গ্রাম: বাদুরতলা, ডাকঘর: হাড়িটানা, থানা: পাথরঘাটা, জেলা বরগুনা। এ বছরের ৪ এপ্রিল আদালতের ৬৪ নম্বর অফিস আদেশে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এ বি এম মাহমুদুল হক স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্র গোলাম কিবরিয়াকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
একদিকে ভোলা জেলার বাইরের বাসিন্দা এবং অন্যদিকে কোন প্রকার আবেদন ছাড়াই নিয়োগপ্রাপ্ত কিবরিয়াসহ বাকী নিয়োগ পাওয়াদের নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় গোটা ভোলার আদালতপাড়ায়।
নিয়োগপ্রাপ্ত গোলাম কিবরিয়া নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ভোলা জেলা যুগ্ম জজ (১ম আদালত) মুহাম্মদ জাকারিয়ার আপন ছোটভাই।
নিজ ভাই এবং আবেদন ছাড়া নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার না করে জেলা যুগ্ন জজ মুহাম্মদ জাকারিয়া এই বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করে নিয়োগের বিষয়টি সম্পূর্ণ জেলা ও দায়রা জজ সাহেবের। আমি ছিলাম শুধুমাত্র নিয়োগ কমিটিতে। তিনিই এই বিষয়ে বক্তব্য দিবেন।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম মাহমুদুল হকের নিকট জনবল নিয়োগে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় উল্লেখ করে জানতে চাইলে তিনি সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে তার দপ্তরে চা পানের আমন্ত্রণ জানান গণমাধ্যমকর্মীকে।
এসময় তিনি অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের পক্ষে জোড়ালো সাফাই জানিয়ে বলেন, যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা গরিব ঘরের সন্তান এবং তাদের চাকরি বয়সের মেয়াদও শেষ পর্যায়ে।সংবাদ প্রকাশিত হলে তাদের চাকরি থাকবেনা উল্লেখ করে জেলা ও দায়রা জজ বলেন, যারা নিয়োগ পেয়েছে তারা দীর্ঘদিন যাবত আদালতে অস্থায়ীভাবে কাজ করায় তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এসময় প্রতিবেদক তার (বিচারক) পূর্বের কর্মস্থল চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া এবং পাশ্ববর্তী ঝিনাইদহ এলাকার প্রার্থীরা কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়েছেন জানতে চাইলে অবৈধ উপায়ে নিয়োগপ্রাপ্তদের রক্ষায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এই বিচারক বলেন, নিয়োগে গোপালগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার প্রার্থীরাও তো নিয়োগ পেয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কোনো ধরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়াই ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ১১ জনকে ব্যক্তিকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয় সম্প্রতি।
অতিগোপনে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেলে জেলার সর্বোচ্চ আদালতপাড়ায় সৃষ্টি হয় তোলপাড়, চলে নানা গুঞ্জন। নিয়মলঙ্ঘন করে কীভাবে ওই ১১ ব্যক্তি নিয়োগ পেয়েছে ইতিমধ্যে তা জানতে চেয়েছেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
আদালতের প্রশাসনিক দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অফিস সহায়ক ও অন্যান্য পদে ১৪ জনকে নিয়োগ দেয়ার জন্য ২০১৬ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে নিয়োগবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়ার সময় ১৪ জনের স্থলে নিয়োগ দেওয়া হয় ৩২ জনকে। এই ঘটনা প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং নিয়োগ বঞ্চিতদের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়।
তাদের অনেকেই প্রশ্ন তোলেন- ১৪ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কিভাবে ৩২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হলো?
বিষয়টি যখন সর্বত্র জানাজানি এবং তোলপাড় শুরু হয়, তখন বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সংশ্লিষ্ট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম মাহমুদুল হক গত ৭ এপ্রিল একটি অফিস আদেশ জারি করে অতিরিক্ত ১৮ জনের নিয়োগকে মিথ্যা এবং ভূয়া বলে উল্লেখ করেন।
তিনি ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত ২ ও ৩ এপ্রিল ২০২১ তারিখে কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় কমিটির সুপারিশে১৪ জনকে আমার (জেলা ও দায়রা জজ) স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। ওই তালিকার বাইরে কোনো প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করা হয়নি।
ফলে ৩২ জনের মধ্যে ১৮ জনের চাকরি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। বড় ধরনের নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অস্বীকার করা ১৮ জনের মধ্যে ১১ জনকে চারমাস পর গত ১৯ জুলাই কোন ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়াই সকলের অগোচরে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। যার স্মারক নম্বর-৯৫। তাদের মধ্যে ৫ জন ইতিমধ্যে বেতনও উত্তোলন করেছেন। বাকী ছয় জনের বেতনও প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে গোপনীয়ভাবে ৫ জনের বেতন উত্তোলন এবং ৬ জনের বেতন উত্তোলন চেষ্টাকরতে গিয়ে অবৈধ নিয়োগের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। আর এই নিয়োগ চূড়ান্ত করণে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় স্বয়ং আইন মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার।
সম্প্রতি আইন সচিব উক্ত ৫ জনকে কোন প্রক্রিয়ায় বেতন প্রদান করা হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেনভোলা জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা প্রশন কান্তি পাল এবং জেলা হিসাবরক্ষণ সুপার বজলুর রহমানের কাছে। এবং বাকী ৬ জনকে বেতন প্রদান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আইন সচিব।উক্ত দুই কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
জেলা হিসাবরক্ষণসুপার বজলুর রহমান জানান, আইন সচিব বিষয়টি আমাদের কাছে জানতে চাওয়ার খবর পেয়ে- জেলা ও দায়রা জজ বেতন প্রত্যাশী ৬ জনের কাগজপত্র জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ১৪ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে অনেক নাটকীয় ঘটনার মধ্য দিয়ে আরও ১১ জনকে নিয়োগপত্র প্রদানের বিষয়টি গোপন রাখার জন্য ৭ দপ্তর ও ব্যক্তির কাছে অনুলিপি প্রদানের উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে শুধুমাত্র নিয়োগপ্রার্থী এবং জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তরকে অনুলিপির কপি সরবরাহ করা হয়।
সেখানে উল্লেখ করা হয় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, ভোলা জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা সিভিল সার্জন বরাবরে নিয়োগের এই অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। বাস্তবে এসব দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়- অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম মাসের বেতন উত্তোলনের পর।
ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের গত ১৪ জুলাই ২০১৬ তারিখে (৩৫৯ নং স্মারক) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জেলা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার একজন, জারিকারক চারজন, নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর সাত জন ও অফিস সহায়ক দুইজন, সর্বমোট ১৪ জনকে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
দীর্ঘ ৫বছর পর উক্ত পদসমূহে চলতি বছরের গত ২ এপ্রিল প্রায় ৩০০০ (তিন হাজার) পরীক্ষার্থীর লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরের দিন (অর্থাৎ ৩ এপ্রিল) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফলাফল দেওয়া হয়। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কম্পিউটার টাইপ ও মৌখিক পরীক্ষা ওই দিনই (৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় শুরু হয় এবং শেষ হয় রাত ১০টা পর্যন্ত।
পরদিন (৪ এপ্রিল) চূড়ান্ত উত্তীর্ণদের তালিকা নোটিশে না টানিয়ে জেলা ও দায়রা জজ এর কার্যালয়ের অফিস আদেশ ৬০, ৬১, ৬২ ও ৬৩ নং স্মারকে ১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ওইদিন রাতেই সিভিল সার্জন কর্তৃক মেডিক্যাল বোর্ডের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ছাড়পত্র ছাড়াই তাদের যোগদান নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ, ঢাকা এর সার্কুলার নং-০৮/২০১৫ তারিখ-০৭/০৬/২০১৫ খ্রিঃ তে বলা আছে, জেলা পর্যায়ে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদানে বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
কিন্তু ভোলা জেলা ও দায়রা জজের স্বাক্ষরিত ১৪ নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭ জনই ভোলা জেলার বাহিরের বাসিন্দা।
সূত্র আরও জানায়, গত ৫ এপ্রিল ২০২১ লকডাউনে অফিস বন্ধের দিন আগের দিন (৪ এপ্রিল) উল্লেখ করে অফিস আদেশ নম্বর- ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ মাধ্যমে নিয়োগ সংক্রান্ত বাছাই কমিটির সুপারিশকৃত প্যানেল থেকে শূন্য পদের বিপরীতে অতিরিক্ত বিভিন্ন পদে আরও ১৮ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এদের মধ্যে নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে মো. ওয়াহিদুর রহমান (রোল নং-৩১৫), মো.মাহফুজুর রহমান (রোল নং- ৩৬৪), মো. গোলাম কিবরিয়া (রোল নং-৬৩৪) রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তালিকায় এদের নাম নেই। এতে নিয়োগ বঞ্চিত অনেক প্রার্থীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, মো. গোলাম কিবরিয়া নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ভোলা জেলা যুগ্ন জজ (১ম আদালত) মুহাম্মদ জাকারিয়ার আপন ছোট ভাই।
উক্ত গোলাম কিবরিয়াকে যেই পদে (নি¤œমান সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে; সেই ৭ শূন্যপদের বিপরীতে প্রায় ১৪শ’ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য আবেদন করেন। ওই ১৪শ’ আবেদনকারির মধ্যেনিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ জাকারিয়ার আপন ছোট ভাই মো. গোলাম কিবরিয়া আবেদন-ই করেনি।
নিয়োগ কমিটি কর্তৃক আবেদনকারিদের নামের তালিকাভুক্ত নথি (রেজিস্ট্রার) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একাধীক প্রার্থীর অভিযোগ ৬০, ৬১, ৬২ ও ৬৩ নম্বর অফিস আদেশে ভোলার বাসিন্দাদের নিয়োগ আদালতের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে জানানোর মাধ্যমে প্রকাশ করে এবং ৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর অফিস আদেশে জেলার বাহিরের প্রার্থী, বিশেষ করে নিয়োগ কমিটি আত্মীয়-স্বজন এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থ বাণিজ্যের প্রার্থীদের অতিগোপনে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়।
গত ১৯ জুলাই জেলা জজ আদালতের ৯৫ নম্বর স্মারকে নিয়োগপ্রাপ্ত ১১ জনের মধ্যে মৃত আঃ কাদের এর ছেলে মো. আল আমিন, আবদুল বারী’র ছেলে আবদুল হাই, লিটন এর ছেলে মো. জাকির হোসেন, মো. আবদুস সাত্তার এর ছেলে মো.হাবিবুর রহমান ও মৃত নুর মোহাম্মদ হাওলাদার এর ছেলে সাইফুল ইতোমধ্যে জুলাই মাসের বেতন উত্তোলন করেছেন।
হিসাবরক্ষণ অফিসে বেতন আটকে পড়া নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন হলেন- ভোলার মৃত আব্দুল হক মিজি’র ছেলে মো. ফয়েজ, ভোলার মো. জসিম উদ্দিন এর ছেলে মুছা কালিমুল্লাহ, বরিশাল মহানগরী সেলিম মৃধা ছেলে মো.ফখরুল ইসলাম মৃধা, বরিশাল মহানগরীর মো. সাইফুল ইসলাম এর স্ত্রী লুৎফুন নেছা, চুয়াডাঙ্গার মো. আবদুল ওয়াহেদ আলী’র ছেলে আতিকুল ইসলাম ও কুষ্টিয়ার মো.লুৎফর রহমান এর ছেলে মো. জুয়েল রানা’র বেতনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মঞ্জুর মোর্শেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
কিন্তু একই দপ্তরের হিসাব সহকারী মিজানুর রহমান ১৪ জনের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে এছাড়া অন্য কোনো নিয়োগের বিষয়ে তার নলেজে নেই বলে তিনি জানান।
তবে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ১১ জনের মধ্যে বেতন প্রাপ্ত পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করলে তাদের অফিসের স্টাফ কি না জানতে চাইলে তিনি তাদেরকে চিনেন বলে জানান।

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ