১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পটুয়াখালীতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এসটিএস হাসপাতালের ২ দিন ব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১ হাজার ৯০৭ ভোলায় মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, পূজা পরিষদের সভাপতি আটক ইন্দুরকানীতে নয় বছরেও সেতুতে নেই ল্যাম্পপোষ্ট, পথচারীদের ভোগান্তি পটুয়াখালীর চার সেতুতে লাইট পোস্টে আলো নেই মেহেন্দিগঞ্জে নৌ-পুলিশের অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের কবরে চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি চরফ্যাশনে ইউনিয়ন সংরক্ষণ কমিটি গঠনে পরামর্শ সভা সরকারী ভাতা পাওয়ায়, সংসারে অবহেলিত মানুষের স্বস্তির নিশ্বাস

ডেকোরেটর ব্যবসায় ধস, দশমিনায় মালিক-শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন

সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।
করোনা মহামারিতে বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, জন্মদিন, আকিকা, হালখাতা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিসে নানা দিবস পালনসহ সভা-সমাবেশ সম্পুর্ণভাবে বন্ধ থাকায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ডেকোরেটর ব্যবসায় চরম ধস নেমেছে। গত প্রায় দুই বছর যাবৎ এধরনের কোনো অনুষ্ঠানের ডেকোরেটর ভাড়া না থাকায় উপজেলার প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ীর আয় রোজগার বন্ধ থাকায় বেশ কয়েক শ মালিক-শ্রমিক মানবেতর জীবনযাপন করছে।
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলায় সাত ইউনিয়নে প্রায় শতাধিক ডেকোরেটর ব্যবসায়ী রয়েছে। আর এ সমস্ত ব্যবসায়ীরা ক্ষেতের বোরো ধান কেটে ঘরে তোলা শেষে গ্রামে গ্রামে শুরু হয় বিয়ে, সুন্নতে খাতনা, জন্মদিন, আকিকা, হালখাতা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অনুষ্ঠানসহ সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রায় ২বছর চলে গেলেও ডেকোরেটর ব্যবসায় কোনো সাড়া নেই।
উপজেলার কাজী ডেকোরেটর মালিক মো. রাসেল হোসেন জানান, করোনার প্রভাবে সকল প্রকার অনুষ্ঠান প্রায়ই বন্ধ রয়েছে। দু-একটি অনুষ্ঠান হলেও প্রশাসনের অগোচরে ঘরোয়াভাবে হওয়ায় ডেকোরেটরের প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে মালিকসহ শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ছে।
উপজেলার গছানী বাজারের ডেকোরেটর মালিক নরেন চন্দ্র ও করুনা সাইন্ড সিষ্টেম এর মালিক মো. নাজমুল হোসেন জানান, আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে প্রায় রাস্তায় বসার উপক্রম। প্রায় দুই বছর মহামারিতে কোন ভাড়া না হওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছি। করোনাকালীন লকডাউনের সময় আমাদের দোকানপাট বন্ধ ছিল। বর্তমানে দোকান খুললেও সকল প্রধান অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রভাবে ব্যবসা বন্ধ থাকায় বর্তমানে এই কাজের সাথে জড়িত মালিক ও শ্রমিকরা কাজ না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।
উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও দশমিনা সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. ইকবাল মাহামুদ লিটন জানান, ডেকোরেটর ব্যবসার সাথে জড়িতদের সহযোগিতা করা একান্ত প্রয়োজন। আর এ বিষয়ে ইউএনও স্যারের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন জানান, ডেকোরেটর ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সহায়তা চেয়ে আবেদন করলে সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। আর যদি সরকার থেকে এ ধরনের কোনো সহায়তা আসে তা সাথে সাথেই তাদের প্রদান করা হবে।###

 

Print Friendly, PDF & Email

শেয়ার করুনঃ

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email

সর্বশেষ